মাই ডিভাইন জার্নি

দাসের যোগ্য নই চরণে মাই ডিভাইন জার্নি

দাসের যোগ্য নই চরণে

তবে গোষ্ঠগানের একটা অদ্ভুত গুপ্ত লীলা আছে। তা অবশ্য ভক্ত ভিন্ন অন্যত্র প্রকাশ্যে বলা চলে না। সে সব গভীরের কথা বাদ দিলেও গোষ্ঠ তার জাগরনিয়া সুরে ঠিকই ভোর ভোর ঘুম ভাঙ্গিয়ে উঠিয়ে বসায়। কি আর করা। অগত্যা ঘুম ঘুম চোখে সকলের পাশে আমিও গোল হয়ে বসে পরলাম।

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির লবান শাহ্ মাই ডিভাইন জার্নি

তোমার দয়া বিনে তোমায় সাধবো কি মতে

তখন সকাল ৬টা ৩৫মিনিট। আমি আর আশিক সদ্য ভ্যান থেকে নেমে জ্যোতিধামের সদর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। কুয়াশা পাতলা হয়ে আসলেও সূর্যের আলো ফোটেনি। মাথাটা খানিক উঁচু করে খোলা দরজার উপরের ফলকে জ্যোতিধাম নামটার পাশে সালটা দেখে আমরা দুজনেই একটু আৎকে উঠলাম।

বিস্তারিত পড়ুন
সাত্তার ফকির মাই ডিভাইন জার্নি

ত্বরাও গুরু নিজগুণে

এই যেমন একখানা গ্রন্থ পড়েই অনেকে পৃথিবীর তাবৎ জ্ঞানের সন্ধান পেয়েছে বলে ধরে নিয়ে যুক্তি তর্ক শুরু করে দেয়। এর বাইরেও যে একটা মত থাকতে পারে। এর বাইরেও যে সৌন্দর্য থাকতে পারে। এর বাইরেও যে সত্য থাকতে পারে। এর বাইরেও যে এই গ্রন্থখানারই আরো সুন্দর ব্যাখ্যা থাকতে পারে। তা কি আমরা ভেবে দেখবার অবকাশ পাই?

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির সামসুল সাঁইজি মাই ডিভাইন জার্নি

‘যে নাম স্মরণে যাবে জঠর যন্ত্রণা’

মাই ডিভাইন জার্নি : দশ -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ এই তো সেদিনের কথা, ফকির সামসুল সাঁইজির আখড়া বাড়ির সাধুসঙ্গে গেছি। তখন এপ্রিল মাস, শীত পেরিয়ে গ্রীষ্মে প্রবেশ করেছে ঋতুচক্র। আখড়ার উদ্দেশ্যে ভোরে রওনা দিয়ে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ভরদুপুর। তখনো রাজশাহীতে ধোঁয়া ওঠা গরম পড়েনি; তারপরও ঘামে ভিজতে ভিজতে পৌঁছালাম ন’হাটা বাজারে। দুপুর সময়টাতে গ্রামের এই ছোট্ট বাজারে […]

বিস্তারিত পড়ুন
ফকির নহির সাঁইজি মাই ডিভাইন জার্নি

‘কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে’

মাই ডিভাইন জার্নি : নয় -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ কী আছে এই পোড়া শহরে! কি এতো প্রেম তাহার সাথে! কিছুই বুঝি না ছাই। দিন দিন এই শহরে নি:শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর হয়ে পড়ছে। ঘিঞ্জি বসতি, সারি সারি বাক্স বাক্স বাড়িঘর, এরই মাঝে ঠেসে ঠেসে বসবাস; দম বন্ধ করা এই জীবনযাপন। এতো গেলো ঘরের কথা। আর ঘরের বাইরের […]

বিস্তারিত পড়ুন
আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে মাই ডিভাইন জার্নি

আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে

মাই ডিভাইন জার্নি : আট -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ বৈশাখ মাস, শহরে পিচগলা গরম। তার উপর কোথায় যেন কি একটা ঝামেলা হয়েছে; তাই বিনা নোটিশেই শহরের সকল লোকাল বাস বন্ধ হয়ে গেছে। আর এই শহরের চিরায়িত নিয়মানুযায়ী রাস্তায় বাস না থাকলে রিকশাচালকেরা নিজেরাই নিজ উদ্যোগে অঘোষিত ঈদ শুরু করে দেয়। আজও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি ঢাকার রাস্তায়। […]

বিস্তারিত পড়ুন
মাই ডিভাইন জার্নি

ডুবে দেখ দেখি মন কীরূপ লীলাময়

মাই ডিভাইন জার্নি : তিন -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ আগে থেকেই একটা কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল, মঞ্চের কাছাকাছি যেতে উত্তেজনাটাও টের পাওয়া গেল। রাত জুড়ে লালন গান হবে পদ্মা পাড়ে। সেই উপলক্ষে পাড় ঘেঁষে বিশাল জায়গা জুড়ে টানানো হয়েছে শামিয়ানা। সারি সারি চেয়ার পাতা হয়েছে তার তলায়। ফাল্গুনী বাতাসে তড়তড় করে উড়ছে শামিয়ানার চারধারে ঝুলে থাকা রঙবেরঙের […]

বিস্তারিত পড়ুন
মাই ডিভাইন জার্নি মাই ডিভাইন জার্নি

সোনার মানুষ ভাসছে রসে

মাই ডিভাইন জার্নি : ছয় -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ কথায় কথায় লাশ ফেলে দেয়ার রাজনীতি তখনো শুরু হয়নি। তখন ছিল শক্তি প্রদর্শনের মহড়া। এই যেমন এক মহল্লার ছেলেপেলে আরেক মহল্লায় হামলা করে আসলো। কিছু দোকানপাট ভাংচুর হলো, কারো কারো বাড়ির দরজায় আঘাত করা হলো। হাতের কাছে পেয়ে দুই একজনকে চড়-থাপ্পড়। আর মনে মনে পছন্দের নারীটি যে […]

বিস্তারিত পড়ুন
মাই ডিভাইন জার্নি মাই ডিভাইন জার্নি

পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে

মাই ডিভাইন জার্নি : পাঁচ -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ কুয়াশায় ঢেকে যাওয়া সামিয়ানার নিচে চলছে সাধুসঙ্গ। শীতের সঙ্গে যখন আর পেরে উঠছি না তখন সাধুর বাড়ির আঙিনা মেঠোপথ পেরিয়ে সংকীর্ণ পাকা রাস্তাটার দিকে চল্লাম চা পান করতে। সেখানে গুটিকয়েক দোকান, নাগরদোলা, মিষ্টি, মুড়কি, জিলেপির দোকান মেলায় রূপ নিয়েছে। আরেকটু এগিয়ে একটা ফাঁকা চায়ের দোকানে টুপ করে […]

বিস্তারিত পড়ুন
রবিউল শাহ্ মাই ডিভাইন জার্নি

গুরু পদে মতি আমার কৈ হল

মাই ডিভাইন জার্নি : চার -মূর্শেদূল কাইয়ুম মেরাজ তখন পুরান ঢাকার যে বাসায় আমরা থাকতে শুরু করেছি সেটি মূল সড়ক থেকে কিছুটা ভেতরে। গলিটার বিভিন্ন অংশ থেকে বেশকিছু সরু পথ জালের মতো পুরো পাড়ায় ছড়িয়ে ছিল। এই আঁকাবাঁকা গলিগুলো কোথাও কোথাও এতোটাই সুরু ছিল যে রিক্সাও চলতো না। সে কারণে গলিগুলো যেমন তুলনামূলক নিরাপদ ছিল […]

বিস্তারিত পড়ুন
error: Content is protected !!