ভবঘুরেকথা
মানুষের করণ সে কি সাধারণ ফকির লালন সাঁইজি

মানুষের করণ সে কি সাধারণ

-মূর্শেদূল মেরাজ

ভিন্ন ভিন্ন চিন্তা-চেতনা ভাবধারার মানুষের কাছে ‘ধর্মের’ অর্থ ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু ঘুরে ফিরে শেষ বিচারে দেখা যায় সব অর্থ এক বিন্দুতে এসেই মিলিত হয়। খুব সাধারণভাবে বলতে গেলে ধর্মের অর্থ হলো ‘ধারণ করা’। কিন্তু কি ধারণ করা? সেটাই প্রশ্ন। অনেকে তাই একটু ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন- ধর্ম হলো ‘সঠিক জীবনযাপনের পথ’ বা ‘সঠিকতার পথ’। এখানেও আবার সেই একই প্রশ্ন- কি এই ‘সঠিক’ বা ‘সঠিকতা’র পথ। এই ‘সঠিক পথ’ কোনটা সেটা নিয়েই জগতে যত ভ্রান্তি। মতোভেদ।

কেউ বলে ধর্মীয় আচার-আচরণ, কেউ বলে উপসনা-আরাধনা, কেউ দেখিয়ে দেয় নানা বিধিবিধান। কিন্তু কোন পথটা যে সকলের পথ। সকলের মত। সেটা নির্ধারণ করতে পারে কয়জনা? এখানে সকলেই ব্যস্ত নিজ নিজ মত-পথকে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- মানুষের করণ কি? মনুষ্য জন্মের করণ কি? কি করতে মানুষ জগতে আসে? কি তার ধর্ম? কি তার কর্ম? কোন কর্মে হয় মানব জনম সফল? কোন কর্মে পাওয়া যায় নিস্তার? কোন কর্মে-কোন ধর্মে-কোন মর্মে মানুষ সকল বিবেচনায় নির্বিঘ্নে পাড়ি দিতে পারে এই ভবতরী?

জলে থেকে জল না ছুঁলেই কি কেবল জীবের নিস্তার? সংসারে পদ্মফুলের মতো বাস করলেই কি জীবের মুক্তি? জীবের এমন কোনো কর্ম আছে, এমন কোনো ধর্ম আছে, যে কর্ম-যে ধর্ম কেবল প্রথাগত কর্মের ছকে আটকে থাকে না। যা হয়ে যায় করণ। উপাসনা-আরাধনারও ঊর্ধ্বে কি এমন করণ আছে? যা মানুষকে মানুষ হিসেবে পরিচিতি দেয়? যা সকলের জন্যই সমান। যে করণ করলে সকলেরই নিস্তার পাওয়ার পথ সুগম হয়। যা ব্যক্তিকে ছাপিয়ে হয়ে যায় সামগ্রিক। সর্বব্যাপী। সর্বভূতের। ফকিরকূলের শিরোমণি ফকির লালন সাঁইজি বলেছেন- ‘মানুষের করণ, সে কি রে সাধারণ’।

এই হিংসা-রেষারেষি, মারামারি-কাটাকাটি, প্রতিনিয়ত পারস্পরিক প্রতিযোগিতার বাইরেও একটা জীবনব্যবস্থা চলমান আছে। সেই ব্যবস্থার ভাষা- ‘প্রেম, প্রেম আর প্রেম’। অর্থাৎ জীবে সেবা। আর জীবে যে সেবা করতে শিখে যায়। সে সর্বভূতেই সেবা করে। সেবা ভিন্ন আর সে কোনো অন্য কিছুই চিন্তা করতে পারে না। তবে এই সেবা ভাব অন্তরাঙ্গে গ্রহণ না করে কেবল লোক দেখানো বহিরাঙ্গে ধারণ করলে হিতে বিপরীত হয়; যা অভিনয়তেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। ফল পাওয়া যায় না।

এই আপাত সহজ অথচ সাধারণ নয় এমন ‘করণ’ আদতে কি? কি করণে সকলেই দিতে পারে বৈকুণ্ঠ পাড়ি? যে করণে কেটে যায় জীবের কর্মফল? জীব যায় না জীবন্তরে। পায় সে মুক্তি স্বাদ। গমনাগমনের প্রথাগত নিয়মের ঊর্দ্ধে উঠতে পারে। এ নিয়ে শাস্ত্র-কিতাব, মহাজন-মহাজ্ঞানী, মুণি-ঋণি, দেব-দেবতা, সাধুগুরু-পাগলমস্তান সকলেই নিজ নিজ ভাবাদর্শে মানুষকে পথ দেখানোরে চেষ্টা করেছেন। দিয়েছেন নানান বিধান। সকল মত-পথ-ধারা-দর্শন যে সকলের হয়ে উঠতে পেরেছে তা নয়।

নিয়মনীতি-বিধিবিধান, করণ-কারণকে কেন্দ্র করে বেশিভাগ প্রচলিত মত-পথ, ধর্ম-দর্শনকে মানুষ নিজেদের স্বার্থে সম্প্রদায়ের গণ্ডিতে আটকে ফেলেছে। সেই বেড়াজাল ছিন্ন করে মহান সব দর্শনও সকলের হয়ে উঠতে পারে না। থেকে যায় সম্প্রদায়গত। তবে জগতের প্রেমিককুলের সাধকগণ এই জটিল বিষয়াদিকে করেছেন সহজ। আর এই সহজ করণকে মাওলানা জালালউদ্দিন রুমি আরও সহজ করে বলেছেন-

“স্রষ্টার কাছে পৌঁছানোর অজস্র পথ আছে।
তার মাঝে আমি প্রেমকে বেছে নিলাম।”

ধর্মকে মানুষ নানাবিধ রূপে ধারণ করতে পারে। তবে প্রচলিত সকল ধারার মধ্যে ধর্মকে ধারণ করার সবচেয়ে সহজ পন্থা হচ্ছে ‘প্রেমের পথ’। অর্থাৎ জীবে প্রেম, সর্বভূতে প্রেম। প্রেমের পথে ধর্মের যে সৌন্দর্যের কণা সর্বত্র ছড়িয়ে পরে তা সর্বজীবে-সর্বপ্রাণে বিরাজ করে। প্রকৃত অর্থে ধর্মের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রেম’। তা যেই সেই প্রেম নয়- ‘সর্বভূতে প্রেম’। আর সর্বভূতেই বিরাজিত পরম তত্ত্ব। স্রষ্টা তার সৃষ্টিতে এক ও একাকার হয়ে থাকে। তাই যে সৃষ্টিকে প্রেম করে সে আদতে পরমের সাথেই প্রেম করে।

প্রেমের ঊর্দ্ধে উঠে দৃশ্যত সৃষ্টি জগতে আর কিছুই মহিয়ান হয়ে উঠতে পারেনি। আর প্রেমের বর্হিপ্রকাশই হলো- ‘সেবা’। ‘সেবা ভাব’। যার মাঝে এই সেবা ভাবের উদয় হয় সেই হয়ে উঠতে পারে প্রেমিক। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন-

“জীবে প্রেম করে যেই জন,
সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।”

আসলে বিষয়টা তাই। আমরা অহং-এর মায়াজালে বন্দি হয়ে এই সহজ বিষয়টা সহজ করে নিতে পারি না। অহংকারের জাল সর্বক্ষণ আমাদের এমনভাবে আবিষ্ট করে রাখে যে, আমরা বুঝে উঠতেই পারি না- সহজ করে কি করে ভাবতে হয়।

এই হিংসা-রেষারেষি, মারামারি-কাটাকাটি, প্রতিনিয়ত পারস্পরিক প্রতিযোগিতার বাইরেও একটা জীবনব্যবস্থা চলমান আছে। সেই ব্যবস্থার ভাষা- ‘প্রেম, প্রেম আর প্রেম’। অর্থাৎ জীবে সেবা। আর জীবে যে সেবা করতে শিখে যায়। সে সর্বভূতেই সেবা করে। সেবা ভিন্ন আর সে কোনো অন্য কিছুই চিন্তা করতে পারে না। তবে এই সেবা ভাব অন্তরাঙ্গে গ্রহণ না করে কেবল লোক দেখানো বহিরাঙ্গে ধারণ করলে হিতে বিপরীত হয়; যা অভিনয়তেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। ফল পাওয়া যায় না। প্রেমের কাছাকাছি গিয়েও প্রেমিক হয়ে উঠা হয় না। আবার অনেকে নিজস্ব সম্প্রদায়, গোষ্ঠী, মতাদর্শ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণীর বাইরে এই সেবা মনোভাব বিকাশ ঘটাতে পারে না।

যদি প্রেমিকের কাছে গেলেই প্রেমিক হওয়া যায়। তাহলে তো বিষয়টা খুবই আনন্দের সংবাদ। কিন্তু গেলাম আর হয়ে গেলাম। এই রূপান্তর কি এতোই সহজ? অবশ্যই সহজ। কিন্তু এই সহজ ভাবকে ধারণ করতে গেলে যে সহজ মানুষ হয়ে উঠতে হয়।

তারা ভাবে তারা যে ভাব ধারণ করে সেই ভাবের ভাবুকদের সেবা করতে পারলেই কার্য সিদ্ধি হয়ে গেলো। কিন্তু প্রকৃত প্রেম বা সেবার প্রকাশ মোটেও তা নয়। প্রেম হতে হয় শর্তমুক্ত-সন্দেহমুক্ত, চাওয়া-পাওয়ার ঊর্দ্ধে। শর্ত দিয়ে, পরস্পর সন্ধি করে প্রেম হয় না। সেবাও হয় না। প্রেম করতে হয় অকাতরে। সকলের তরে। আমার মতো হলে তবেই প্রেম পাবে, নইলে পাবে না। বিষয়টা এমনভাবে ভাববার সুযোগ নেই। তাইতো আঘাত পেয়েও প্রভু নিত্যানন্দ বলে ওঠেন- ‘মেরেছ কলসির কানা, তাই বলে কি প্রেম দিব না’। আর হযরত মোহম্মদ (স) বলেন,

‘এদের জ্ঞান দাও প্রভু, এদের ক্ষমা করো’।

তুমি প্রেম দিবে কি দিবে না সেটার চেয়েও অনেক ঊর্ধ্ব ভাব হলো- আমি তোমাকে ভালোবাসি। এখানে প্রেম পাওয়ার জন্য প্রেম দেয়া নয়। এখানে প্রেম দিয়ে প্রেম আদায় করে নেয়াই বিধান। প্রেম এমন এক চোরাবালি। যার ঘনত্ব যত হবে তাতে শুধু প্রেমিক নয়, অপ্রেমিকও ডুবে মরবে। সেও হবে প্রেমময়। তাতেই প্রেমের সার্থকতা। আর সেটিই প্রেমের সৌন্দর্যতা। তদ্রূপ ধর্মের সৌন্দর্যময়তা হলো তার উদারতায়, তার গ্রহণ করবার সক্ষমতায়, তার সেবা প্রয়ণতার বিনয় ভাবের উপর। একটা ধর্ম বা মতাদর্শ কতটা উদার, সে কতটা গ্রহণ করে নিতে পারে, আর কতটা সে সেবা দিতে পারে সর্বজীবে, তার উপরই মূলত তার প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত থাকে।

নয়তো নিজের ভালো, নিজ সম্প্রদায়ের ভালো তো বনের পশুও বোঝে। তাতে আর অতি মাহত্ম্যের কি আছে। সে তো জীবের স্বাভাবিক প্রকৃয়া। তার জন্য শাস্ত্রজ্ঞানের প্রয়োজন হওয়াও কথা নয়। যে জ্ঞান সর্বজীবে প্রেম ভাব শেখায় সেটাই প্রকৃত জ্ঞান। আর সেই জ্ঞানের জ্ঞানী যে জন হন। তার দরজা সকলের জন্য হয় উন্মুক্ত। সকলের জন্য অবারিত দ্বার। যে কেউ প্রবেশ করতে পারে সেখানে। সে বাছ-বিচার করেন না। কে ফর্সা, কে কালো। কে বড় কে ছোট। কে সুন্দর কে অসুন্দর। কে মোটা কে চিকন। কে লম্বা কে খাটো। কার ধর্ম কী? কার জাত কী? কার কুল কী এসব নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা থাকে না।

কারণ তারা এমন প্রেমের কুণ্ড তৈরি করে বিরাজ করেন যে, সেই কুণ্ডে যে আসবে সেই পুড়তে পুড়তে প্রেমিক হয়ে উঠবে। কেউ হয়তো হবে এক লহমায়। আবার কেউ দীর্ঘ যাত্রার পর। কিন্তু প্রেমিকের কাছে গেলে প্রেমিক হতেই হবে। তাই প্রেমিকের আরেক নাম ‘পাগল’। লালন সাঁইজি বিষয়টাকে আরো সহজ করে বলেছেন-

‘পাগলের সঙ্গে যাবি পাগল হবি বুঝবি শেষে।’

আবার যারা প্রেমময় হতে চায় না তাদের জন্য এর পরে সর্তকবাণী রূপে বলেছেন-

‘তোরা কেউ যাসনে সেই পাগলের কাছে।’

যদি প্রেমিকের কাছে গেলেই প্রেমিক হওয়া যায়। তাহলে তো বিষয়টা খুবই আনন্দের সংবাদ। কিন্তু গেলাম আর হয়ে গেলাম। এই রূপান্তর কি এতোই সহজ? অবশ্যই সহজ। কিন্তু এই সহজ ভাবকে ধারণ করতে গেলে যে সহজ মানুষ হয়ে উঠতে হয়।

তার জন্য যে যাত্রা তা সকলের জন্য সহজ ও স্বল্পে হয় না। জন্মজন্মান্তরের কৃর্তি কি এক নিমিষে দূর করা যায়? তাই অন্য একটা পদে মহৎ বলেছেন- “হাউমাউ করে কাঁদলে কি আর খোদা পাওয়া যায়? নয়ন জলে চরণে ভেজালে তাতে খোদা রাজি হয়।”

তাই মনের সাথে মন যার মিলে তার সাথেই হয় প্রেম। সেই প্রেমে পাল্টা প্রেম পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও। প্রেম না পেলে প্রেম দিবে না এমন নয়। প্রেমিক তার প্রেম বিলিয়েই যাবে। এটাই প্রেমের ধর্ম। এটাই মানুষের করণ। মনুষ্যত্বের করণ।

তাই তো ভ্ক্তরা ভক্তি জানাতে দলে দলে ছুটে চলে যেখানে প্রেমের ভাণ্ডের কাছে। আর এই প্রেমের ভাণ্ডই হলো সেই সব পাগল প্রেমিক-সাধক প্রেমিক। যারা দৃশ্যমান জগতে প্রকাশ্য না থাকলেও তারা বিরাজ করে ভক্তের ভক্তিতে। আর সেই ভাবেই তারা আলো হয়ে ফুটে থাকে। ভক্তরা পতঙ্গের মতো সেই আলোর দিকে ছুটে যায়। পতঙ্গ যেমন জানে আলোর কাছে গেলেই তার মরণ। তারপরও আলো দেখলে সেখানে না গিয়ে আর পারে না। তদ্রূপ ভক্তও সাধু-গুরু-পাগল-মস্তানের রূপ দেখে বা শুনে পাগল হয়ে ছুটতে শুরু করে। আর সেখানে গিয়ে পৌঁছাতে পারলে সেই প্রেমের আলোর ছটায় ভক্তের বিকার আর রিপুগুলো খসে খসে পরে।

বিকার-রিপু মুক্ত হয়ে স্বভাবে বিদ্ভাসিত হয়। পরমের রূপ প্রকাশ পায়। হয়ে উঠে- সচ্চিদানন্দ। যার খুব সাধারাণ অর্থ হলো- ‘সর্বময় আনন্দ ভাব’। আর এই আনন্দই পরমের ভাব। স্বরূপের ভাব। আর এই ভাব জানে প্রেমিককূল অর্থাৎ সাধু-গুরু-পাগল-মস্তান। যাদের কাছে প্রেমই ধর্ম। সেবাই কর্ম। আর তাঁদের মধ্যে কে যে কাকে কখন তলব করবে। কে যে কার প্রেমে মজবে তা আর কে বলতে পারে? তার হিসাবই বা কে করতে পারে? সেই প্রেমের প্রেমিক হয়ে তাই রাজা-মহারাজারাও ক্ষমতা ছেড়ে পথে নামে। আবার পথের পথিককেও মানুষ মাথায় করে রাখে। সম্রাটের মর্যাদা দেয়।

এসবই ভক্তের ভক্তির কথা। প্রেমের কথা। সেবার কথা। মুখের কথায় বা লেখার ভাষায় তা বোঝানো সম্ভব নয়। যার সাথে ঘটে সেই জানতে পায়। এই কথার প্রেক্ষিতে মরমী সাধক জালালউদ্দিন খাঁ বলেছেন- “দেখলে ছবি পাগল হবি / ঘরে রইতে পারবি না।”

যখন ভক্ত নিজ ইষ্টের ছবি বা সুরত দেখতে পায় তখন তাকে আর বন্দি থাকা যায় না। সে ছুটে যাবেই সেই আলোক কুণ্ডের কাছে। নিজেকে করে নিবেদন। হয় সমর্পিত। আর সমর্পণের ভাব জাগ্রত হলেই ভক্তের শুরু হয় সাধন পথ। সাধন পথ কার কেমন হবে। কোন পথে কে সাধন করবে। তা এক সময় ঠিক হয়েই যায়। তা জোর করে হয় না। চাপিয়ে দিলেও হয় না। মনে মন মিল হলেই তো ওজন মিলে।

তাই মনের সাথে মন যার মিলে তার সাথেই হয় প্রেম। সেই প্রেমে পাল্টা প্রেম পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও। প্রেম না পেলে প্রেম দিবে না এমন নয়। প্রেমিক তার প্রেম বিলিয়েই যাবে। এটাই প্রেমের ধর্ম। এটাই মানুষের করণ। মনুষ্যত্বের করণ।

…………………….
আপনার গুরুবাড়ির সাধুসঙ্গ, আখড়া, আশ্রম, দরবার শরীফ, অসাম্প্রদায়িক ওরশের তথ্য প্রদান করে এই দিনপঞ্জিকে আরো সমৃদ্ধ করুন- voboghurekotha@gmail.com

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

…………………………..
আরো পড়ুন:
মাই ডিভাইন জার্নি : এক :: মানুষ গুরু নিষ্ঠা যার
মাই ডিভাইন জার্নি : দুই :: কবে সাধুর চরণ ধুলি মোর লাগবে গায়
মাই ডিভাইন জার্নি : তিন :: কোন মানুষের বাস কোন দলে
মাই ডিভাইন জার্নি : চার :: গুরু পদে মতি আমার কৈ হল
মাই ডিভাইন জার্নি : পাঁচ :: পাপীর ভাগ্যে এমন দিন কি আর হবে রে
মাই ডিভাইন জার্নি : ছয় :: সোনার মানুষ ভাসছে রসে
মাই ডিভাইন জার্নি : সাত :: ডুবে দেখ দেখি মন কীরূপ লীলাময়
মাই ডিভাইন জার্নি : আট :: আর কি হবে এমন জনম বসবো সাধুর মেলে
মাই ডিভাইন জার্নি : নয় :: কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে
মাই ডিভাইন জার্নি : দশ :: যে নাম স্মরণে যাবে জঠর যন্ত্রণা
মাই ডিভাইন জার্নি : এগারো :: ত্বরাও গুরু নিজগুণে
মাই ডিভাইন জার্নি : বারো :: তোমার দয়া বিনে চরণ সাধবো কি মতে
মাই ডিভাইন জার্নি : তেরো :: দাসের যোগ্য নই চরণে
মাই ডিভাইন জার্নি :চৌদ্দ :: ভক্তি দাও হে যেন চরণ পাই

মাই ডিভাইন জার্নি: পনের:: ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই
মাই ডিভাইন জার্নি : ষোল:: ধর মানুষ রূপ নেহারে
মাই ডিভাইন জার্নি : সতের:: গুরুপদে ভক্তিহীন হয়ে
মাই ডিভাইন জার্নি : আঠার:: রাখিলেন সাঁই কূপজল করে
মাই ডিভাইন জার্নি :উনিশ :: আমি দাসের দাস যোগ্য নই
মাই ডিভাইন জার্নি : বিশ :: কোন মানুষের করি ভজনা
মাই ডিভাইন জার্নি : একুশ :: এসব দেখি কানার হাটবাজার

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!