মা ফাতেমার শাহাদাত

মা ফাতেমার শাহাদাত

-নূর মোহাম্মদ মিলু

দয়ালনবীর ওফাতের পর তৎকালীন ক্ষমতাসীন শাসকচক্র তাঁর প্রতি যে জুলুম এবং অত্যাচার করেছেন তারা সকলেই রসুলের প্রথম কাতারের বিশিষ্ট সাহাবি ছিলেন। আবু বকর খলিফা হওয়ার পর ওমরের পরামর্শে বাগে ফেদাক রাষ্ট্রায়াত্ত করে নিলেন।

মা ফাতেমা স্বয়ং খলিফা আবু বকরের কাছে মসজিদুন্নবীতে গিয়ে হাজির হলেন। খলিফা তখন স্ব-পরিষদ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বাগান রাস্ট্রায়াত্ত করার করার কারণ জিজ্ঞাসা করায় খলিফা উত্তর দিলেন, নবীদের কোনো উত্তরাধিকারী হয় না। উম্মতরাই নবীর সকল সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন।

নবীকন্যা বললেন, আবু বকর তুমি কি কোরআন পড় নাই? এতে কি লিখা নাই যে, সোলায়মান নবী দাউদ নবীর সকল সম্পত্তির অধিকারী হয়েছিলেন।

জবাবে আবু বকর বললেন, রসুলুল্লাহ আমাকে বলেছেন যে, তাঁর কোনো উত্তরাধিকারী হবে না।

এ কথা শুনে নবীকন্যা বললেন, এটি মিথ্যা কথা- এই বলে তিনি মসজিদ থেকে বের হয়ে নিজগৃহে চলে গেলেন। এরূপ অবস্থায় আমরা কোনটা সত্য বলে গ্রহণ করব? এই বাগান শুধু মৌখিক নয় রাসুলুল্লাহ দনপত্র লিখে আপন কন্যা ফাতেমাকে দান করছিলেন।

এই দানপত্রের দাতা হলেন রাসুলুল্লাহ, গ্রহীতা তাঁর কন্যা, এর লেখক হলেন আলী এবং স্বাক্ষী তাঁদের দুই নাবালক পুত্র হাসান ও হোসাইন। রাসুলের ন্যায্য ওয়ারিশ আলী ফাতেমা হতে রাসুলের যে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ‘বাগে ফাদাক’ রাস্ট্রায়াত্ত করে নিয়েছিলেন।

সেই বাগে ফাদাক খলিফা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ প্রায় ৮৮ বছর পর প্রথম ও দ্বিতীয় খলিফার অন্যায়কে সমর্থন করতে না পেরে সম্পত্তিটি তৎসাময়িক ভোগ দখলকারী উমাইয়া সর্দারদের হাত থেকে নিজের জীবন বিপন্ন করে বহু কষ্টে তৎকালীন নবী বংশধরদের ফিরিয়ে দিয়েছেন।

ঐতিহাসিক কলঙ্কগুলোর উৎসসমূহ ধরে দেওয়ার ফলে উমাইয়ারা বিষ প্রয়োগে ওমর ইবনে আব্দুল আজিজকে খতম করা হয়। রাসুলের ওফাতের পর ফাতেমা যার বেশি দিন জীবিত ছিলেন না। কথিত আছে, বাগানের এই ঘটনার পর হতে যখনই আবু বকর নবীকন্যার বাড়ির পাশ দিয়ে যেতেন তখনই তিনি নবীকন্যাকে ছালামুন আলাইকা ইয়া বিনতে রাসুলুল্লাহ বলে ছালাম পেশ করতেন, কিন্তু নবীকন্যা কখনো তার ছালামের জবাব দিতেন না।

( মুসলমানদের ছালাম দেয়া সুন্নত জবাব দেয়া ওয়াজিব , ছালাম এর জবাব একমাত্র… পাবে না )।

মা ফাতেমা যার চক্রান্তকারীদের কারসাজিতে শাহাদাত বরণ করেন। চলিশজন গুণ্ডা ভাড়া করে মাওলা আলীর উপর অত্যাচার চালাতে এসেছিল। না হক জুলুম থেকে স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে যাওয়ায় মা ফাতেমা যে যখম পান সেই আঘাতের কয়েকদিনের মধ্যেই মা ফাতেমা এন্তেকাল করেন।

রাসুলুলাহ দো-জাহানে মা ফাতেমাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। তাই ফাতেমার প্রতি আঘাত আসে প্রথম সেইসব লোকদের তরফ থেকে, যারা রাসুল হায়াতে থাকতে মুখের দুয়ারে খুব ভালবাসত বলে জাহির করেছে।

ফাতেমা যারর এন্তেকাল একটি দুঃখজনক ও বিষাদময় ঘটনা। যদিও আলী অবসরগ্রহণ করে নিভৃত গৃহজীবন যাপনের সিদ্ধ্বান্তগ্রহণ করেছিলেন এবং ক্ষমতার রাজনীতিতে কোনোরূপ অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত ছিলেন তথাপি তাঁর পরিবার ঘরে থাকা অবস্থায় ঘরে ঢুকে আগুন লাগানো হয়েছিল এবং জ্বলন্ত দরজা অথবা তরবারির বাঁটের শক্ত আঘাত অথবা ভীষণ একটা ধাক্কা লেগে ফাতেমার পাঁজর এবং হাত ভেঙ্গে যায়।

সে আঘাত এমন মারাত্মক ভাবে লেগেছিল যে তাঁর গর্ভস্থ সন্তান মারা গিয়েছিল। আল্লামা শাহ বিস্তানী লিখিত ‘মিল্লাত ওয়া নাহাল’ পুস্তকে উল্লেখ করেছেন যে, আলী ফাতেমা ও তাঁদের সন্তানরা ব্যতীত যাদের বয়স (৪ থেকে ৮) বছর পর্যন্ত বাড়িতে অন্য কেউ ছিল না। দৃশ্যত এই প্রচণ্ড আক্রমণ ছিল আকস্মিক এবং অপ্রত্যাশিত।

কেউ এর জন্য প্রস্তত ছিল না। গৃহকর্তী মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মূর্ছিত হয়ে গিয়েছিল। ঘর ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল এবং ছেলেমেয়েরা ভয় পেয়েছিল। আলী তাঁর আহত স্ত্রী ও শ্বাসরুদ্ধ সন্তানদের প্রতি যখন মনোযোগ দিয়েছিলেন তখন তাঁকে পরাভূত করে গৃহ থেকে টেনে বের করা হয়। ফাতিমার উত্তরধিকার অস্বীকৃত হয়েছিল। দৈহিক এবং মানসিক আঘাতের পর অল্পকাল সে সুস্থ থেকে ১১ হিজরিতে ইহধাম ত্যাগ করেন।

গভীররাতে তাঁকে দাফন করা হয়। বনী হাশেম ব্যতীত রসুল পাকের সাহাবীগণের মধ্যে শুধু আবু জর, আম্মার, সালমান এবং মিকদাদ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। মৃত্যুর পূর্বে তিনি একটি কবিতায় দুঃখ করে বলেছিলেন- “আমার উপর এত দুঃখ নেমে এসেছে যে সেগুলো যদি উজ্জ্বল দিনের উপর পতিত হতো তাহলে দিনগুলো রাত্রিতে পরিণত হয়ে যেত।”

নবী পাকের এই কন্যাটি যে কেমন একজন মহিলা ছিলেন জীবনের শেষ দিনের বিবরণে তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়ে গেলেন। তিনি বাড়ির লোকদের ডেকে বললেন যে তিনি অপেক্ষাকৃত সুস্থ অনুভব করছেন। তাঁর পাঁজর এবং হাড়ের ব্যথাও আগের মতো তীব্র নয় এবং তাঁর জ্বরও নেমে এসেছে। তারপর তিনি তাঁর সাচ্ছন্ধে গোসল করাতে আরম্ভ করলেন।

তৎক্ষণাৎ মাওলা আলী এবং ফিজ্জা তাঁর সাহায্যার্থে ছুটে এলেন। তিনি তাঁর সন্তানদের গোসল করালেন, পোশাক পরালেন, খাওয়ালেন তারপর তাঁর চাচাত বোনের কাছে পাঠালেন। তারপর আলীকে তাঁর পাশে ডেকে বললেন, “আমার প্রিয় স্বামী তুমি অবশ্যই বুঝতে পেরেছ আমি কেন এরূপ করলাম।

(এসব) সাধারণ বিষয়ে বাড়াবাড়ি দয়া করে ক্ষমা করো। আমার জীবনের শেষ দিনে আমি ওদেরকে সুখি দেখতে চাই। কারণ তাঁরা আমার সঙ্গে এবং আমার অসুস্থ থাকাকালে অনেক দুঃখ ভোগ করেছে। হ্যাঁ আলী, তুমি এটা জানো যে, আজ আমার জীবনের শেষ দিন।

আমি আজ সুখি এবং দুঃখীও। আমি সুখি এজন্য যে শীঘ্রই আমার দুঃখের অবসান হবে এবং আমার পিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ করব। আমি দুঃখিত যে তোমাকে ছেড়ে যেতে হচ্ছে। আলী অনুগ্রহ করে আমি যা বলি তা লক্ষ্য করো এবং তোমাকে যা করতে বলি তা করো।

আমার পরে তুমি যাকে ইচ্ছা তাকে বিয়ে করতে পারো তবে অবশ্য আমার চাচাতো বোন ইয়ামামাকে বিয়ে করো এবং হোসাইন তাঁর প্রতি খুব আকৃষ্ট। ফিজ্জা যদি চায় তাকে তোমার সঙ্গে রেখো, সে আমার কাছে একজন সাধারণ চাকরানী নয়, আমি তাকে আমার মেয়ের মতো দেখি।

আলী রাত্রিতেই আমার দাফন করো এবং আমার প্রতি এত নিষ্ঠুর যারা তারা যেন আমার দাফনে শরীক না হয়। আমার মৃত্যু যেন তোমাকে নিরুৎসাহিত করে না তোলে, তোমার দীর্ঘকাল ধরে ইসলাম এবং মানবতার খেদমত করতে হবে, আমার দুঃখ যেন তোমাকে ব্যথিত না করে। আলী এই প্রতিশ্রুতি আমাকে দাও।

হযরত আলী বললেন, হ্যাঁ ফাতেমা! আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। তিনি আবারও বললেন, আলী! আমি জানি তুমি আমার সন্তানদেরকে কত যে স্নেহ করো কিন্তু হোসাইনের প্রতি যত্ন নিও। সে যে আমাকে কত ভালোবাসে, কত দুঃখের সঙ্গে আমাকে হারাবে তাঁর প্রতি মায়ের মমতা রেখো।

আমার অসুস্থ অবস্থায়ও সে আমার বুকের উপর ঘুমাত। সে তা হতে এখনই বঞ্চিত হলো। আলী তাঁর ভাঙ্গা হাত মালিশ করছিলেন। তাঁর তপ্ত অশ্রু ফোঁটায় ফোঁটায় তাঁর হাতের উপর পড়ছিল। তিনি লক্ষ করেলেন ও চোখ তুলে চাইলেন এবং বললেন, ‘আলী তুমি কেঁদো না, বাইরের রুক্ষ চেহারার অন্তরালে তুমি যে কতখানি কোমল হৃদয়ের অধিকারী তা আমি জানি।

তুমি অত্যাধিক সহ্য করেছ, আরো সহ্য করতে হবে। বিদায় আমার প্রভু, আমার প্রিয় স্বামী বিদায় আলী। আমাকে বিদায় সম্ভাষণ দাও। দুঃখে আলীর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে এসেছে। অশ্রুমিশ্রিত কণ্ঠে বললেন, বিদায় ফাতেমা।

এই শুনে তিনি বললেন, এ সকল দুঃখ-কষ্ট ধৈর্যের সাথে সহ্য করার শক্তি দয়াল রব তোমায় দান করুন। এখন আমার রবের সাথে আমায় একা থাকতে দাও। এই বলে তিনি তাঁর প্রার্থনার কার্পেটের উপর উপস্থিত হলেন এবং আল্লাহ্‌র কাছে সেজদায় পড়ে রইলেন।

এর খানিক পরেই হযরত আলী যখন ঘরে প্রবেশ করলেন তখন তাকে সেজদায় দেখতে পেলেন। কিন্তু নফস তার পাক পিতার সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য আল্লাহ্‌র রহমত এবং শান্তির দেশে চলে গেছেন। তিনি যৌবনের প্রারম্ভেই পরলোক গমন করেন।

যেমন হযরত আলী বলেন, “একটি ফুল কলি অবস্থায় ছিঁড়ে ফেলা হলো। এটি জান্নাত হতে এসেছিল এবং জান্নাতেই চলে গেল। কিন্তু সুবাস রেখে গেল আমার মধ্যে।”

মাওলা আলী নাহাজুল বালাঘার ২০৭নং খুতবায় স্পষ্ট করে বলেছেন- “হে আল্লাহ্‌র রাসুল! দয়া করে আমার এবং আপনার কন্যার ছালাম নিন। যাকে আপনার সান্নিধ্য থেকে অনতি দূরে দাফন করা হচ্ছে এবং অতি শীঘ্র তিনি আপনার সাথে মিলিত হচ্ছেন।

হে নবী মোস্তফা, আপনার প্রিয় কন্যার মৃত্যু আমাকে ধৈর্য এবং সান্ত্বনাহারা করেছে। আমি আমার সমস্ত সংযম হারিয়ে ফেলেছি। হে আলাহর রাসুল, আপনার বিচ্ছেদ ভোগ করার পর আমাকে আবার ধৈর্যের সাথে আকস্মিক এই মহাদুর্ঘটনা সহ্য করতে হবে।

আমি আপনাকে আমার নিজ হাতে কবরে স্থাপন করেছিলাম। আমার বুকের উপর বিশ্রাম অবস্থায় আমার গ্রীবা এবং বুকের মধ্যখানে আপনার মস্তক অবস্থিত থাকা অবস্থায় আপনার দেহ হতে নফস বিদায়গ্রহণ করেছিল। নিশ্চয় আমরা আল্লাহ্‌র জন্য এবং তার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।

আপনার কন্যা যাকে আমার কাছে গচ্ছিত রাখা হয়েছিল তা আমার কাছ থেকে ফেরত নেওয়া হলো। এখন দুঃখ আমার সাথী হয়েছে এবং সুখ আমা হতে বিদায় নিয়েছে। এই দুঃখ এত তীব্র যে, অন্য সকল দুঃখকে এটি অভিভূত ও গ্রাস করে ফেলে এবং এটি আমাকে বিনিদ্র রজনী এবং নিরানন্দ দিনের মধ্যে ফেলে গেল।

যতকাল আল্লাহ আমাকে তাঁর রহমত এবং শান্তির রাজ্যে আমার উভয়ের সঙ্গে মিলিত না করেন এখন হতে ততকাল আমার জীবন বিরামহীন একটি হৃদয়- বেদনায় পরিণত হলো। হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আপনার সাহাবীরা আপনার কন্যার প্রতি কি আচরণ করেছে এবং কিরূপ দুর্ব্যবহার করেছে তা তিনিই বলবেন।

আপনার পরলোক গমনের পর অল্পকালের মধ্যেই তাঁর উপর যা কিছু ঘটেছে তার বিস্তারিত বিষয়াদি তাকেই জিজ্ঞেস করবেন। আপনার কাছে হতে এই ব্যবধান এত অল্পকালের যে লোকেরা এখনো আপনাকে স্মরণ করে এবং আপনার বিষয় বলাবলি করে।

দয়া করে আমার বিদায় সম্ভাষণ ও ছালাম আপনারা উভয়েগ্রহণ করুন। এই বিদায় সম্ভাষণ ও সালাম একটি সরল হৃদয়ের ইচ্ছা বা উৎসর্গ। সে হৃদয় আপনাদের কোমল স্নেহের স্মৃতি তার কবরের দিকে সানন্দে বহন করবে।

হে আল্লাহ্‌র মনোনীত নবী কন্যার বিদায়। তুমি শান্তিতে বিশ্রাম করো। যে শান্তি হতে লোকেরা ইহজগতে তোমাকে বঞ্চিত করেছে। তোমার কবর ছেড়ে আমার স্বস্থানে যাওয়া দারা এটা বুঝায় না এ আমি তোমার সঙ্গলাভের দ্বারা শ্রান্ত হয়েছি।

আহা যদি আমি আজীবন তোমার সঙ্গলাভ করতাম এই আমার আশা। যারা দুঃখের সাথে ধৈর্য ধারণ করে তাদের জন্য আল্লাহ পুরষ্কার সংরক্ষিত রেখেছেন। এই বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই যার কারণে আমি তোমার কবরের উপর স্থায়ী একটি বাসস্থান তৈরি করে থাকব। বিদায়!

তোমার থাকুক আল্লাহ্‌র শান্তি ও আশীর্বাদ। রাসুলের ইন্তেকালের পর আহলে বায়াতে রসুলুল্লাহের উপর রাজশক্তি কর্তৃক এত অত্যাচারের পাহাড় নেমে আসে এবং তা সহ্য করতে না পেরে ফাতেমা যার সর্বক্ষণ ক্রন্দন ও পিতার উদ্দেশ্যে ফরিয়াদ করতেন।

লোকেরা মাওলা আলীর কাছে অভিযোগ করে এবং হযরত আলী জান্নাতুল বাক্বীতে একটি ছোট ঘর তৈরি করে দেন, যেখানে গিয়ে মা ফাতেমা রোজ বসে তাঁর বাবাকে স্বরন করে কাঁদতেন (রাসুল এর ঐ সময়কার উম্মতেরা হযরত ফাতেমা যারকে পিতার শোকে কান্না করার শব্দ কেও সহ্য করতে পারতেন না এখানেও উনাদের আপত্তি অভিযোগ ছিলো, রাসুল কন্যা কে আরো অনেকভাবে কষ্ট দিত ঐ সময়ের মুসলমানেরা, মন খুলে পিতা জন্য কাঁদবে কিন্তু সেটাও করতে দিতো না বরং অভিযোগ করতো তাদের ডিস্টার্ব হয় বলে)।

এতাই ইতিহাসে ‘বাইতুল হুজন’ বলে প্রসিদ্ধ, অর্থাৎ শোক এবং ক্রন্দন করার ঘর বা শোকের ঘর নামে পরিচিত।

…………………………………
আরো পড়ুন:
জগৎ জননী ফাতেমা-১
জগৎ জননী ফাতেমা-২
জগৎ জননী ফাতেমা-৩
জগৎ জননী ফাতেমা-৪
জগৎ জননী ফাতেমা-৫
জগৎ জননী ফাতেমা-৬
জগৎ জননী ফাতেমা-৭
জগৎ জননী ফাতেমা-৮
জগৎ জননী ফাতেমা-৯
জগৎ জননী ফাতেমা-১০
জগৎ জননী ফাতেমা-১১
জগৎ জননী ফাতেমা-১২

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!