শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব

স্বামী স্বরূপানন্দ : উপদেশ

আমি অসীমকে ভালবাসি।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

আত্মবজ্ঞাই আত্মবিনাশের প্রথম সোপান।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

জগদ্বিতার্থে আত্মদানই প্রকৃত তপস্যা।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

সরলতা আর পবিত্রতা জীবনের দুই পরম শান্তি।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

নিজের মতে বিশ্বাসের নূন্যতাই প্রকৃত দুর্বলতা।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

যিনি শিব, তিনিই পার্বতী, যিনি পূজ্য, তিনিই পূজক।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

শ্রী ভগবানে আত্মসমর্পনই জীবনের চরম চরিতার্থতা।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

আমি তোমাদের নিত্যসঙ্গী হইবার জন্য তপস্যা করিয়াছি।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

আমি তোমাদের পূজা পাইতে আসি নাই, তোমাদের পূজা শিখাইতে আসিয়াছি।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

অখন্ডমন্ত্র যেমন তোমার মন্ত্রধিরাজ, অখন্ড-সংহিতাও তেমন তোমার সর্ব্বশাস্ত্রাধিরাজ।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (ধৃতংপ্রেম্না, ১৭শ খন্ড, পত্র নং ৬১)

 

আমি পৃথিবীতে নূতন ইতিহাস সৃষ্টি করিতে আসিয়াছি, গতানুগতিকতা আমার প্রন্থা নহে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

চিন্তাকে অবিরাম উর্দ্ধমূখী যে রাখতে পারে, সেই সাধু, সেই মহৎ, সেই দেবতা, সেই ক্ষনজন্মা।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (অখন্ড সংহিতা-৫ম খন্ড)

 

ভগবানে নির্ভর তোমার যত অটুট হইবে, মনের দুর্বলতা, চপলতা ষড়যন্ত্র প্রিয়তা তত বিনাশ পাইবে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সাথী-৩৬৪)

 

ভিক্ষা চাইবার ও পাইবার অভ্যাস কেবলই আলস্যবর্দ্দক, তাহা নহে, ইহা সংক্রামক ব্যাধির মত মারাত্মক।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সঞ্চয়-২৯৫)

 

ভালবাসা দিয়া সকলকেই বস করা যায়। কিন্তু কাহাকেও বস করিবার উদ্দেশ্য নিয়া ভালবাসিও না।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সঞ্চয়-২৮)

 

চরিত্রবান সাধনপরায়ণ ব্যক্তিদের সংঘই সংঘ। নিষ্ঠাহীন -য়ণ ব্যক্তিদের সংঘ সংঘ নহে, উহার-আড্ডা।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সঞ্চয়-২১৮)

 

তোমরা শাখা ছাড়িয়া মূল ধর। বৃথা তোমাদের অন্তরের ভক্তিভাবকে নানা দিকে ছড়াইয়া দুর্বল করিও না।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

পরিস্থিতির গতি বুঝিয়া আচরণের পরিবর্তন চলিতে পারে কিন্তু তজ্জন্য লক্ষ্যের যেন পরিবর্তন না ঘটে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

তোমার শাস্ত্রই বলছে, ধর্মের মূল হচ্ছে বেদ, বেদের মূল হচ্ছে গায়ত্রী, আর গায়ত্রীর মূল হচ্ছে প্রণব।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

সহজ হও, সরল হও, অনাবিল হও, লোকমান পাইবার, প্রকাশমান হইবার বিষয়টা একেবারে ভুলিয়া যাও।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

আমি আমার পূজা চাহি না, এই কথাটা বিশ্বাস করিও, আমি যাহার পূজা চাহি, তোমরাও তাঁহারই পূজক হও।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

স্বকীয় জননীকে যে শ্রদ্ধা করে না, অপর নারীতে মাতৃভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা তাহার পক্ষে নিতান্তই নিস্ফল এবং হাস্যকর।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (স্ত্রীজাতিতে মাতৃভাব পৃষ্ঠা ৭৬)

 

আমার বাগ্ময়ী মূর্তি। আমাকে এবং আমার পরম প্রিয়কে জানিতে হইলে অখন্ড সংহিতা, পাঠ অবশ্যই করিতে হইবে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

লোভের বশে ভোগ করার নাম ভোগ নয়, দুর্ভোগ। শাসনের ভয়ে ত্যাগ করার নাম ত্যাগ নয়, দাসত্ব। কর্মের পথে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

মিলনেই তৃপ্তি, বিচ্ছেদে নহে। ঐক্যেই কুশল, সংঘর্ষে নহে। সত্যেই সাহস, কাপট্যে নহে। পবিত্রতাতেই আত্মপ্রসাদ, অসংযমে নহে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (নববর্ষের বাণী, কার্তিক-১৩৫৫)

 

মন্ডলীর সভ্য মাত্রই অপর সকল সভ্যের সেবক-এখন সে সভাপতিই হোক, সম্পাদকই হোক, কোষাধ্যক্ষই হোক অথবা আর যা কিছুই।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (অখন্ড সংহিতা-২১শ খন্ড)

 

দরিদ্র হইলেই কেহ ছোট হয় না। চরিত্র যাহার সুন্দর, অন্তর যাহার শুদ্ধ, রুচি যাহার পবিত্র, চেষ্টা যাহার খলতাবর্জ্জিত, সে দরিদ্র হইলেও ধনী।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (নব্বর্ষের-১৩৪৮)

 

নাম রূপ যে পরমসম্পদ তোমাকে আমি দিয়াছি, তাহা লইয়া নির্ভয়ে পথ চল। নামের ভিতরেও আমারই আশীর্ব্বাদ সম্পুটিত রহিয়াছে। 
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

দুঃসাহস করিলে যে ক্ষতি, হতাশ হইলে তাহা অপেক্ষা বেশি ক্ষতি। ক্ষতিই যখন অ-ারিত, তখন অল্পতর ক্ষতির পথে অগ্রসর হওয়া উচিত।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সাথী -২৩০)

 

আমি আমাকে একটা পাঞ্চভৌতিক দেহধারী মানুষ মাত্রই মনে করি না। আমি বিশ্বের আত্মা। সর্ব্বভূতের আমি পরমাত্মা, সকল সৃষ্টির আমি বিধাতা।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

আমাকে যদি ভুলিয়া না যাও, জগতে কোন কাজ তোমার ভুল হইবে না, আমার আর্শীবাদ দূর্ভেদ্য কবচের ন্যায় অনন্তদিকাল তোমাদিগকে রক্ষা করিবে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

সর্ব্বজীবকে ভালবাসাই আমাদের ধর্ম্ম। যাহা মানুষের মনকে সংকীর্ণ করে তাহা ধর্ম্-নহে। ধর্ম্ম মনকে উদার, প্রাণকে প্রসারশীল এবং হৃদয়কে সকলের প্রতি সহানুভূতি প্রবণ করে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সন্ধান-২৮৭)

 

ওঙ্কারই জগতের জনক, শাস্ত্রের জনক, সভ্যতার জনক, সাধনার জনক, অভিনশ- ধর্ম্মের জনক। কিন্তু তাঁহার কেহ জনক নাই। তিনি অনন্ত, নির্ব্বিকার ও নিরবধি।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (অখন্ড সংহিতা-১৩শ খন্ড)

 

পরোপকারের দ্বারা তুমি নিজেরও উপকার সাধন করিবে। জীবের সেবার ম-দিয়াই মনুষ্য-জীবনের শ্রেষ্ঠ সার্থকতা সম্পাদিত হয়। কেবল নিজেকে লইয়া ব্যস্ত থাকা ত’ পশুর লক্ষণ।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সঞ্চয়-২২৪)

 

বহু কথা, বহু তর্ক, বহু যুক্তি সকল সময়ে কার্য্য-হস্তারক হইয়া থাকে। তোমরা এক কথায় কাজে নামিতে শিক্ষা কর। এক কথায় যাহারা কাজ করে, তাহারা চিরকালই বেশি কাজ করে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সঞ্চয়-৮)

 

কে পাপী, কে পুণ্যবান, সেই বিচারে তোমার প্রয়োজন কি? নিজে যেই কাজে হাত দিয়াছ, তাহা পুণ্যকার্য্য ত’? তাহা হইলে ত’ তোমাদের হইয়া গেল। বৃথা বাজে চর্চায় শক্তি ও সময়ের অপব্যবহার করিও না।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

আমি তোমাদের জন্য দিব্য রাজ মুকুট নিয়া আসিয়াছি, ভিক্ষুকের ভিক্ষাপাত্র নহে, অমৃত বিতরন করিতে আমি আসিয়াছি, ঘরে ঘরে ক্ষুদের ক্ণা কুড়াইতে নহে, আমাকে যাহারা ভালবাস, তাহারা আমার কথাগুলিকে অন্তর দিয়া গ্রহণ কর।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

তুমি যখন সৎকার্যে দান করিবে, তখন আমি তোমাকে দীর্ঘজীবি হইবার জন্য আর্শীবাদ করিব। তুমি যখন অজ্ঞানকে জ্ঞান দান বিতরণ করিবে, তখন আমি তোমার অমরত্ব প্রার্থনা করিব। কিন্তু তুমি যখন সমবেত উপাসনায় আসিয়া যোগদান করিবে, তখন আমি তোমাকে মাথায় লইয়া নাচিব।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

একটা নিমিষে একটা শতাব্দীর জঞ্জাল অপসারণ করিয়া দিবে, সে শক্তি তোমার আছে। কেন নিজের সামর্থকে বিশ্বাস করিতেছ না? কেন নিজের শক্তিকে উদ্বুদ্ধ করিবার সাধনায় লাগিয়া যাইতেছ না? কেন বৃথা কর্ম্ম আর বৃথা প্রজল্পে সময় নষ্ট করিতেছ?
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (পথের সন্ধান-৩০)

 

তোমরা আমাকে পছন্দ করনা, একথা আমি জানি। কারণ তোমরা ভগবানকে অসত্য বলে জ্ঞান কর, আর আমি সেই ভগবানকেই আমার সর্ব্বস্ব ও স্বর্ব্বেশ্বর বলে চিনেছি। কিন্তু আমি ত ভগবানের কথা তোমাদের কাছে কদাচ বলতে যায় নি। আমি ত বলেছি, তোমরা চরিত্রবান হও। নইলে আমার সোনার ভারত তোমাদের হাতে নিরাপদ নন।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (অখন্ড সংহিতা, দশম খন্ড)

 

ভগবান আমাকে অবতার হইবার শক্তি দিয়া পাঠাইয়াছিলেন, অবতারের পূজা আমি প্রত্যাক্ষান করিয়াছি। মন্দিরে মন্দিরে আমার প্রতিমূর্তির পূজা হইবে ভগবান আমাকে এই শক্তি দিয়া পাঠাইয়াছিলেন। আমি সেই প্রলোভনেও মজি নাই। আমি তোমাদের নিত্যসঙ্গী হইবার জন্য তপস্যা করিয়াছি।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ

 

তোমার বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েরা দিবারাত্রি নানা সময়ে আমাকে নানা ভাবে দেখিতেছে জানিয়া তাহাদের প্রেমে আমি চমৎকৃত হইয়াছি। ভালবাসা চিত্রকে একাগ্রতা দেয়। সেই একাগ্রতা ভক্তি ভালবাসার পাত্রকে যে কোনও সময়ে, যে কোনও স্থানে মূর্ত্তিমান বিগ্রহে পরিণত করিতে পারে। আমাকে যে তোমার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কাছারের এক জঙ্গলের মধ্যে জ্যোতির্ম্ময় বরবপুতে দেখিতে পাইল, ইহা তাহাদের ভক্তিরই বলে।আমি ত তখন কলিকাতায় এই জড় শরীর নিয়া বাস করিতে ছিলাম।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (ধৃতং প্রেম্না, ৪র্থ খন্ড, পত্র নং-৯)

 

কখনো কখনো আমার চখে জল দেখিয়াছ। দেখিতে পার। আমার খেয়াল নাই, কখন আমার চোখে জল আসিয়াছিল, কখন বা আসে নাই। আমি উদাস মানুষ। অনেক সময়ে লোকের হাসি দেখিয়া কাঁদি, কান্না দেখিয়া হাসি। কখনো কখনো অপরের অল্প কান্নায়ও নিজে কাঁদিতে কাঁদিতে ভাঙ্গিয়া পড়ি। কেন কখন কাঁদি, তাহা আমি বলিতে পারিব না। এই মাত্র একটি ভাঙ্গী ছেলে, নাম তার সুভাস রাউথ, আমাকে কাঁদাইয়া গেল।

সে গুরুদর্শন না করিয়া অন্নজল গ্রহণ করিবে না, পণ করিয়া ঘর হইতে বাহির হইয়াছিল। সে হাওড়াতে একটা কারখানাতে ঝাড়ুদারের কাজ করে। বয়স ২০/২২ এর অধিক নহে। দর্শনমাত্র ৫০০ পাঁচশত টাকা প্রণাম করিয়া দিয়া বলিল, গুরুদর্শনের প্রার্থনা পূরণ হইয়াছে। হারই মানত ইহা দিলাম। কিন্তু ইহা তাহার হৃৎপিণ্ডের শোনিতেরই ত’ রূপান্তর। সে ত’ মানুষ ঠকাইয়া টাকা কামাই করে নাই।

অকুলীন এক সমাজে জন্মিয়া সে হীন এক জীবিকার মাধ্যমে কঠোর পরিশ্রম করিয়া এই অর্থ অর্জন করিয়াছে। নিতে আমার প্রানে বাজিল। আমি কাঁদিলাম। বল ত’ এই কান্নার কি ব্যখ্যা দিব? আমি কারনেও কাঁদি অকারণেও কাঁদি। আমার কান্নার কোন হেতুনির্নয় সম্ভব নহে।
-শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ (ধৃতং প্রেম্না-ত্রয়স্ত্রিংশতম খন্ড)

স্বামী স্বরূপানন্দ : উপদেশ  দুই>>

………………
আরও পড়ুন-
স্বামী স্বরূপানন্দের বাণী
স্বামী স্বরূপানন্দ : গুরু-শিষ্য 
স্বামী স্বরূপানন্দ : সরল ব্রহ্মচর্য্য
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ : চিঠিপত্র
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ : উপাসনা
স্বামী স্বরূপানন্দ : কবিতা/গান
স্বামী স্বরূপানন্দ : উপদেশ
স্বামী স্বরূপানন্দ : উপদেশ  দুই

শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : এক
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : দুই
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : তিন
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : চার
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : পাঁচ
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : ছয়
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : সাত
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : আট
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : নয়
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : দশ
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : এগারো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : বারো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : তেরো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : চোদ্দ
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : পনেরো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : ষোল
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : সতেরো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : আঠারো
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের বাণী : উনিশ

…………………….
আপনার গুরুবাড়ির সাধুসঙ্গ, আখড়া, আশ্রম, দরবার শরীফ, অসাম্প্রদায়িক ওরশের তথ্য প্রদান করে এই দিনপঞ্জিকে আরো সমৃদ্ধ করুন- voboghurekotha@gmail.com

……………………………….
ভাববাদ-আধ্যাত্মবাদ-সাধুগুরু নিয়ে লিখুন ভবঘুরেকথা.কম-এ
লেখা পাঠিয়ে দিন- voboghurekotha@gmail.com
……………………………….

……………….
আরও পড়ুন-
মহানবীর বাণী: এক
মহানবীর বাণী: দুই
মহানবীর বাণী: তিন
মহানবীর বাণী: চার
ইমাম গাজ্জালীর বাণী: এক
ইমাম গাজ্জালীর বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: এক
গৌতম বুদ্ধের বাণী: দুই
গৌতম বুদ্ধের বাণী: তিন
গৌতম বুদ্ধের বাণী: চার

গুরু নানকের বাণী: এক
গুরু নানকের বাণী: দুই
চৈতন্য মহাপ্রভুর বাণী
কনফুসিয়াসের বাণী: এক
কনফুসিয়াসের বাণী: দুই
জগদ্বন্ধু সুন্দরের বাণী: এক
জগদ্বন্ধু সুন্দরের বাণী: দুই
শ্রী শ্রী কৈবল্যধাম সম্পর্কে
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বাণী
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী : ১ম খন্ড
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী : ২য় খন্ড
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী : ৩য় খন্ড
স্বামী পরমানন্দের বাণী: এক
স্বামী পরমানন্দের বাণী: দুই
স্বামী পরমানন্দের বাণী: তিন
স্বামী পরমানন্দের বাণী: চার
স্বামী পরমানন্দের বাণী: পাঁচ
স্বামী পরমানন্দের বাণী: ছয়
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: এক
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: দুই
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: তিন
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: চার
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: পাঁচ
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: ছয়
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: সাত
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: আট
সীতারাম ওঙ্কারনাথের বাণী: নয়

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

error: Content is protected !!