সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি

সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- চার

-মূর্শেদূল মেরাজ

সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- চার

শেষ রাত থেকে আলোচনা-পর্যালোচনার পর ভোর হয়ে যাওয়ার পর যখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো তৃতীয় দিনেও নামা হচ্ছে না নিচে। তখন আগুন পোহানোর ইতি ঘটিয়ে আমি তাবুর দিকে গেলাম একটু গাড়াগড়ি দিতে হবে। রাহাতকে আজও নিচে নামতে হবে আবার বাজার করতে হবে।

একদিন বেশি থাকা হবে। সেই বাজার নেই। গত দিনে রাহাত নেমেছিল নিচে। তখন সাথে গিয়েছিল আউলিয়া। আজ রাহাতকে একাই নামতে হবে।

অন্যরা রিল্যাক্স। আজ আর কোনো তাড়া নেই। ঝড়ঝড়ির এই জায়গাটা এমনই একটা জায়গা খুব বেশি দূরে যাওয়ার তেমন সুযোগ নেই। যে যেখানেই যাক না কেনো ঘণ্টা বা ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই ফিরে আসে। ঘুরে ফিরে জলের পাশে।

তবে জল যথেষ্ঠ শীতল। গোসল করতে গেলে হাড় কাপিয়ে দেয় মধ্য দুপুরেও। এর মাঝেই আউলিয়া একদিন কুমের মাঝে ঝাঁপ দিয়ে ডুব সাঁতারে গোসল দিয়ে দিলো। ফয়েজ মগে জল দিয়ে মাথায় ঢাললো। সুমন ঝর্ণার নিচে। রাহাত জলে ঝাঁপিয়ে পরে।

আমি কোমর পর্যন্ত জলে বসে মগ দিয়ে কাজটা সেরে নিলাম। এভাবেই যে যার মতো আছি দিব্যি। দিনের বেলা কেউ তাবুতে ঘুমাচ্ছে। কেউ পাথরের উপরে কম্বল বিছিয়ে সটান। কেউ আবার হ্যামকে ঝুলে ঝুলে।

শেষ দিন আমি আর সুমন সারাটা সকল কাটিয়ে দিলাম উপরের ধাপে আমার ধ্যানাশ্রম। আমি আর সুমন মিলে পুরো ধাপটা কুমের অংশটা সহ পুরো জায়গাটা ঝাড় দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ফেললাম। সমস্ত শুকনো লতা-পাতা-কাঠের গুড়ি এক জায়গায় করলাম। সন্ধ্যায় আগুন জ্বালানো হবে।

আজ আর তাবুর পাশে নয়। এই জায়গায় হবে আড্ডা-গান-বাজনা। পরিস্কার করতে করতে সুমনের পরিস্কারের নেশায় পেয়ে বসলো। সে পাথরও ধোয়া শুরু করে দিলো। দুপুরের সেবা পর্যন্ত নিলো না। ধুয়েই চললো ধুয়েই চললো।

আমরা দুপুরের সেবা-শান্তি নিয়ে এক এক করে উপরে উঠে পরিস্কার অংশে জড়ো হতে শুরু করলাম। সুমন তখনো ধুয়েই যাচ্ছে। আজ বেশ ঠাণ্ডা। কয়েকপ্রস্থ শীতের কাপড় জড়িয়েছে সক্কলে। আগুন জ্বালানো হলো। আমি ধ্যানাশ্রমে আসন নিয়েছি।

সুমন কিছুটা দূরে তার আসন বসিয়েছে। বাকিরা এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করছে। আশিক হুংকার দিয়ে বললো, আপনারা স্বার্থপরের মতো নিজের নিজের আসন নিতে পারেন। আমি আমার ভাই পরিষদরে রেখে তো আর বসতে পারি না।

শীতের সময়-তার উপর পাহাড়ে। খাবার তো এমনিতেই হজম হয় দ্রুত। আর পাশে যদি মাছ বারবিকিউ করতে থাকে। আর তা থেকে মৌ মৌ গন্ধ ছড়াতে থাকে তাহলে কি আর দূরে দূরে ঘুরে বেড়ানো যায়? তাই এক এক করে আগুনের চারপাশে আমাদের জড়ো হতেই হয়েছে।

এই বলে আমার ধ্যানাশ্রমের পাশে একটা উঁচু পাথরের উপরের জায়গাটা নির্বাচন করলো। আসলেই এই জায়গাটাও বেশ ভালো। অনেকে বসা যাবে। সেই সাথে বাতাসটাও কিছুটা কম লাগবে। সকলে মিলে হাত লাগিয়ে পরিস্কার করে ফেলা হলো।

বসবার ব্যবস্থা করে, গায়ে কম্বল চাপিয়ে সক্কলে গায়ে গা লাগিয়ে গুটিয়ে বসে পরলাম। ঠাণ্ডাটা ক্রমশ বাড়ছেই। এরই মাঝে শুরু হয়ে গেলো গান-বাজনা। লালন সাঁইজি ছাড়াও অন্যান্য মহতের পদও চলতে লাগলো। রাত বাড়ছে। অন্ধকার ঘন হচ্ছে। ঠাণ্ডায় জমে যাচ্ছি।

তারই মাঝে গানের পরশ আমাদেরকে উষ্ণতা দিয়ে যাচ্ছে। সৌম্য একসময় বলে উঠলো, ভাই আমি আগেও পাহাড়ে অনেকবার আসছি। থাকছি। কিন্তু এতো ভালো কখনো লাগে নাই। আপনারা এরপরে যেখানে যাবেন আমারে সাথে রাইখেন।

আজ বাজার থেকে মাছ আনা হয়েছে। রাতে বারবিকিউ হবে। মাছের বারবিকিউ। সাথে ফ্রাইড রাইস। ফ্রাইড রাইসের চিন্তাটা অবশ্য সৌম্যর। আমাদের সম্মতি ছিল ষোলো আনা। অনেক কাজ রান্না বসাতে হবে। অনেক আয়োজন। তাই সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে আমরা নিচে নেমে আসলাম।

সারাদিন সবকিছু ধুয়ে-মুছে সুমন ক্লান্ত। সে ঘুমাতে চলে গেছে। আমরা সকলে হাত লাগালাম রাতের খাবার প্রস্তুতে। অদ্য রজনীই শেষ রজনী। তাই বোধহয় জমিয়ে শীত নেমেছে।

সৌম্য বেশ কায়দার সেফ হয়েছে। আমাদের স্বল্প আয়োজনের মাঝেও সে নানান পদ করে আমাদের সেবা দিচ্ছে। আজ হবে ফ্রাইড রাইস-সবজি। সাথে মাছের বারবিকিউ। সে যে মাছের দাবী করেছিল। তা অবশ্য পাওয়া যায় নি। অনেক কাজ তার জন্য সকলে হাত লাগালাম।

শীতের সময়-তার উপর পাহাড়ে। খাবার তো এমনিতেই হজম হয় দ্রুত। আর পাশে যদি মাছ বারবিকিউ করতে থাকে। আর তা থেকে মৌ মৌ গন্ধ ছড়াতে থাকে তাহলে কি আর দূরে দূরে ঘুরে বেড়ানো যায়? তাই এক এক করে আগুনের চারপাশে আমাদের জড়ো হতেই হয়েছে।

কখন চুলা থেকে নামবে। আর কখন আমরা খাওয়া শুরু করবো। এর মাঝে কয়েক দফা চা-বিস্কুট খাওয়া হয়ে গেছে। কিন্তু রান্না আর শেষ হয় না। হাত ধুয়ে বসে আছি। কখন করবো শুরু সেই অপেক্ষায়।

সব রেডি। এখন মাছ হলেই খেতে বসা হবে। প্রকৃতির উন্মুক্ত স্থানে বসে সেবা নেয়ার আনন্দটাই আলাদা। সবকিছু প্রস্তুতি নিয়ে আমরা ঘিরে দাঁড়িয়ে আছি মাছ হলেই সেবা নিবো।

আশিক বলেছিল, নরসিংদীতে নাকি যারা মাছ ধরে তাদের বলে ‘গাবর’। তাই আমরাও সুমনকে গাবর নামেই ডাকতে লাগলাম। তা গাবর হাতেই মাছ ধরে ভালো সেটাই শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হলো। ঘেরের দেশের মানুষ সুমন। রাতে একবার টেটা নিয়ে না বেরুলে তার ঘুম আসে না।

শেষে অনেকটা রাত হয়ে এলে সৌম্য ঘোষণা দিলো রান্না হয়েছে। আমরাও ঝাঁপিয়ে পরলাম। ফ্রাইড রাইসটা সেই রকম হয়েছে। ছোট ছোট করে চাক চাক করে কেটে দেয়া গাজরের টুকরোগুলো স্বাদের সাথে সাথে দেখতেও নান্দনিক হয়েছে। সবজিটাও দারুণ হয়েছে। মাছের কথা আর নাই বা বললাম।

ওহ্ আরেকটা কথা তো বলতেই ভুলে গেছি। উপরের ধাপের যে কুম। তাতে বেশ বড় বড় মাছের দেখা পেয়েছিলাম আমি আর সুমন। সুমন আগেই দেখেছে। আমাকে মধ্য দুপুরে নিয়ে গিয়ে দেখালো। প্রচুর মাছ। প্রতিটা প্রায় কব্জি সমান হবে। সুমন বললো আজ মাছ ধরে রাতে ভাজা হবে।

সে ফাঁদ বানাবে। সারা বিকেল জুড়ে সে ফাঁদ বানালো। ফাঁদের সাথে সৌম্যর লুঙ্গিটা জুড়ে দিয়ে ফাঁদ পূর্ণ হলো। রাহাতকে বাজার থেকে নেট আনতে বলা হয়েছিল। সে পায়নি। তাই লুঙ্গি বাঁধা হলো নেটের জায়গায়। ফাঁদটা বেশ কায়দার হয়েছে।

ফাঁদ বানানোর পর কুমে নামিয়ে দিয়ে আসা হলো। মধ্যরাতে গিয়েও যখন দেখলাম একখানাও মাছ আটকায় নি। তখন সুমন বলতে লাগলো। ফাঁদ ঠিক আছে, আসল সমস্যা হলো চারে। এই খাবারে নাকি কুমের মাছরা অভ্যস্ত নয়। তাই ধরা দেয়নি।

সুমন নিজের পক্ষে যতই যুক্তি দিতে লাগলো। আমাদের হাসির রেস ততই বাড়তে লাগলো। তার খোঁড়া যুক্তি শুনে আমাদের হাসতে হাসতে জীবন শেষ। কিন্তু সুমনের বলার শেষ নেই। কোথায় লাইট দেয়া দরকার ছিল। খাঁচাটা কেমন করে ফেলা উচিত ছিল। নানান কায়দার কথা বলতেই লাগলো সে।

শেষ পর্যন্ত মাছ ধরা পরেনি সেটাই বড় কথা। যখন আমরা চেপে ধরলাম মেনে নিতে। তখন সেও আমাদের সাথে হাসিতে যোগ দিলো। তারপরও নিচু স্বরে বলতে লাগলো। আরেকদিন থাকলে সে ঠিক ঠিকই মাছ ধরে খাওয়াবে।

ফাঁদটা যে দেখতে ভালো হয়েছিল তাতে সন্দেহ নেই। প্রথম দিনও সুমন দুইটা ছোট ফাঁদ বানিয়েছিল। তাতেও কোনো মাছ ধরা পরে নি। শেষে আমরা টর্চ নিয়ে বেড়িয়েছিলাম। সুমন হাত দিয়েই গোটা কয়েক চিংড়ি আর নাম না জানা কয়েকটা মাছ ধরে ছিল।

ঝড়ঝড়িতে
মাছ ধরার ফাঁদ তৈরিতে ব্যস্ত সুমন দাস বাউল

আশিক বলেছিল, নরসিংদীতে নাকি যারা মাছ ধরে তাদের বলে ‘গাবর’। তাই আমরাও সুমনকে গাবর নামেই ডাকতে লাগলাম। তা গাবর হাতেই মাছ ধরে ভালো সেটাই শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হলো। ঘেরের দেশের মানুষ সুমন। রাতে একবার টেটা নিয়ে না বেরুলে তার ঘুম আসে না।

জারি গানের মতো করে গান করে। বিষয়টা আমার বেশ লাগে। গান গাইবার সময় নিজেই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করে। তাই ওর গান শুনতে অনেকের গানের চেয়ে অনেক বেশি ভালো লাগে। তারউপর ওকে বললে অন্যদের মতো এতো ভাব নেয় না। শুরু করে দেয়। সেটা বেশ ভালো গুণ।

মাছ ধরায় তার ভীষণ নেশা। ওর বাবারও সেই নেশা। সেই সব গল্প শুনতে শুনতে আউলিয়া হাসতে হাসতে বলেছিল, তারা সেই মাপের মাছ খোর।

আউলিয়া মানে রিয়াদ উল্লাহ ভূইয়া। ওর বাবা নোয়াখালীর মানুষ। বসতি করেছেন খুলনায়। বাবা দেহ রেখেছেন বহুদিন। রিয়াদ এই যাত্রার ঠিক আগেই প্রায় এক দশক পর নোয়াখালীর পৈত্রিক বাড়িতে ঘুরে এসেছে। সেখানে যাওয়ার পর তা যে সব বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছে।

তার অনেকটাই আমরা নোয়াখালীর ভাষায় তার কাছে শুনে ফেলেছি। সে যতবার বলে ততবারই আমাদের হাসতে হাসতে দম ফেটে যায়। ওর মুখে নোয়াখালী-বরিশালের ভাষা ছাড়াও যে কোনো আঞ্চলিক ভাষা এতোটাই মানানসই যে শুনলে সকলকে হাসতেই হবে।

অনেক সংলাপের মধ্যে তার মুখের এই যাত্রার সেরা সংলাপ হলো, ‘ভাইয়্যা নি কেন’। রিয়াদের সাথে প্রথম পরিচয় হয়েছিল কুষ্টিয়ায়। সম্ভবত দেলোয়ার ভাইয়ের হেচারিতে। সুমনের সাথে এসেছিল খুলনা থেকে। তারপর ধীরে ধীরে আমাদের দলে ঢুকে পরলো রিয়াদ।

ফর্সা হাজীর অনুষ্ঠানের এক সময় সুধাম সাধু তার নাম দিলো আউলিয়া। সেই থেকে সে আউলিয়া হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেদিন ফয়েজ আর আউলিয়া পাথুরে পথ ধরে ঝড়ঝড়ির অনেকটা উপরে উঠে গিয়েছিল। সেখান থেকে একটা ড্রাগনের আকৃতির কাঠের টুকরা কাঁধে ঝুঁলিয়ে ফিরলো।

বিচিত্র আকারের ড্রাগনের আকৃতির শুকনা কাঠের টুকরো খানা তার সাথে এতোটাই মানসই হলো যে, তার নতুন নাম দেয়া হলো আউলিয়া-এ-ড্রাগন। সে সেই ড্রাগন কাঁধে করে ঝড়ঝড়ি থেকে সদরকোঠা পর্যন্ত বয়ে আনলো। আউলিয়ার গানের গলায় একটা বিশেষ ভাব আছে।

জারি গানের মতো করে গান করে। বিষয়টা আমার বেশ লাগে। গান গাইবার সময় নিজেই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করে। তাই ওর গান শুনতে অনেকের গানের চেয়ে অনেক বেশি ভালো লাগে। তারউপর ওকে বললে অন্যদের মতো এতো ভাব নেয় না। শুরু করে দেয়। সেটা বেশ ভালো গুণ।

আমি আগেই বলেছি চন্দ্রনাথে উঠবো না। আশিক আমাকে সঙ্গ দিতে থেকে গেছে আমার দলে। সাথে অনেকটা জোর করে রাখা হয়েছে রাহাতকে। তাই ঘুম থেকে উঠে সক্কলে মিলে ঠিকঠাক হয়ে বিদায় জানালাম ঝড়ঝড়িকে।

(চলবে…)

<<সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন ।। সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ>>

………………………..
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব এক
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব দুই
মনোমোহনের পথে : প্রথম কিস্তি
মনোমোহনের পথে : দ্বিতীয় কিস্তি
মনোমোহনের পথে : তৃতীয় কিস্তি
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি এক
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি দুই
শাহান শাহ্’র দরবারে : পর্ব এক
শাহান শাহ্’র দরবারে – পর্ব দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : এক
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- এক
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- দুই
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই
টকিমোল্লায় গানে আসর
ফর্সা হাজীতে আরেক দফা
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-এক
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-তিন
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-চার
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-পাঁচ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!