সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে

সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-এক

-মূর্শেদূল মেরাজ

সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-এক

দোলের পূর্ণিমাতেও ফকিরকুলের শিরোমণি লালন সাঁইজির ধামে সাধুসঙ্গ হবে না। এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর ধামে যাওয়ার ইচ্ছেটা মনেই পুষে রাখলাম। যেয়ে আবারো যদি সেই গতবারের পরিস্থিতিতে পরতে হয়। তা সহ্য করা যাবে না। তাই যাওয়ার তীব্র ইচ্ছাটাকে মনে গোপন করে রাখলাম।

আশিকও বারবার তাই বলছিল, যদি এবারো সঙ্গ না হয় তাহলে যাব না। গতবারের মতো হলে মনটা খারাপ হবে। অবশ্য সুমন দাস বাউল বারবার বলছিল, চাঁদের ঠেলায় তো আর থাকা যাচ্ছে না। চলেন রাতেই চলে যাই। তাও আমরা গেলাম না।

পঁচিশ তারিখ নরসিংদী পৌঁছাতে পৌঁছাতে বেশ রাতই হয়ে গেলো। সেখানে কয়েকটা দিন থেকে ঢাকায় ফিরতে ফিরতে উনত্রিশ তারিখ। আমি, সুমন দাস বাউল আর আশিক যখন উত্তরার সদরকোঠায় তখনো শিওর হতে পারছিলাম না কবে কুষ্টিয়া রওনা দিবো। পূর্ণিমার রাতটা কাটিয়েছি শেষ পর্যন্ত শ্রীরামপুর শ্মশানে।

শেষে ছোটভাই রানা যখন জানালো, ঘোষণা দিয়ে সাধুসঙ্গ আর সাঁইজির আখড়ার ফটক বন্ধ করে দিলেও। দোলের দিন খুলে দেয়া হলেছিল আখড়ার দরজা। নতুন নিময়ানুযায়ী। অর্থাৎ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। তারপর আবার পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এটা শুনে এবার সত্যি সত্যিই মনটা খারাপ। ভীষণ খারাপ হয়েছিল। তারপরও একটা গোটা দিন এই শহরে কাটিয়ে পরদিন রাতে আমি আর আশিক রওনা দিলাম কুষ্টিয়ার পথে। আর সুমন দাস বাউল যাবে মানিকগঞ্জ। সেখানে ওর একটা অনুষ্ঠান হওয়ার কথা।

সেখান থেকে সোজা কুষ্টিয়া যাবে। আমাদের সাথে একসাথে হয়ে সকলে মিলে যাবো যশোর। যশোর শহরে নূরা পাগলার অনুষ্ঠান আছে। অনেক দিনের ইচ্ছে নূরা পাগলার অনুষ্ঠানে যাবার। প্রাথমিক পরিকল্পনা কষা হলো। প্রথমে আমরা সাঁইজির ধামে যাব।

সেই ঝাঁকুনি খেতে খেতেও আশিক দিব্যি ঘুমিয়ে নিচ্ছে। সত্যি বড্ড হিংসে হচ্ছিল। ইশ্ এমন করে যদি একটু ঘুমিয়ে নেয়া যেত। কতই না ভালো হতো। আর ঘুম না আসলে কতো সব ভাবনা মাথায় ভীড় করে। সেই সব ভাবতে ভাবতে একসময় চান্দিনা পর্যন্ত পৌঁছে গেলাম।

সাঁইজির আখড়ায় ভক্তি পর্ব সেরে দুপুরের পর রওনা দিবো মহিষকুণ্ডিতে। সেখানে বুড়ি মা’র এক ভক্ত ছেলের বাড়িতে সাধুসঙ্গ আছে। ওখানে সাধুগুরুরা থাকবেন। আমরা সেখানে সাধুসঙ্গ করবো। অষ্ট প্রহরের সাধুসঙ্গ শেষ করে চলে আসবো আবার ছেঁউড়িয়াতে।

সুমন ততক্ষণে মানিকগঞ্জের অনুষ্ঠান সেরে ছেঁউড়িয়া আসবে। সেখান থেকে রাতের ট্রেনে সোজা যশোর। এই পরিকল্পনা নিয়েই বাসে উঠে বসেছি। সুমন দাস বাউল আমাদের বাস পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেলো। ও একদিন পর মানিকগঞ্জ রওনা দেবে।

ছুটির দিন। রাস্তা অনেকটাই ফাঁকা। বাসও টানতে লাগলো তুফান গতিতে। আমরা সীট পেয়েছি একেবারে শেষের পাঁচ সীটের আগের সীট। আজ রাতেই যাবই যাব এই ভাবনা থেকে, সেই সীট পেয়েও আমরা খুশি। আর উত্তরা থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তার যে অবস্থা। অর্থাৎ ভাঙ্গাচোড়া। সে আর বলতে।

ঝাঁকি খেতে খেতে রাতের খাবার মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসার জোগার। তাও ঘাপটি মেরে বসে আছি। সামনে রাস্তা ভালো। আর তাড়াতাড়ি গেলে আমাদেরই সুবিধে। রানার বাসায় গিয়ে একটু ঘুমিয়ে নেয়া যাবে। এমনিতে এই সময়ে বাসে উঠলে আমাদের ভোর চারটার সময় নামিয়ে দেয়।

তবে আজকের গতি দেখে মনে হচ্ছে রাত তিনটার আগেই পৌঁছে যাব। রানাকে ফোন করে সেই সংবাদ দেয়া হলো। সে যাতে ঘুমিয়ে না পরে, সেই মন্ত্রণা দেয়া হলো তাকে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো। এতো ঝাঁকুনিতে যেখানে সীটে বসা মুশকিল।

সেই ঝাঁকুনি খেতে খেতেও আশিক দিব্যি ঘুমিয়ে নিচ্ছে। সত্যি বড্ড হিংসে হচ্ছিল। ইশ্ এমন করে যদি একটু ঘুমিয়ে নেয়া যেত। কতই না ভালো হতো। আর ঘুম না আসলে কতো সব ভাবনা মাথায় ভীড় করে। সেই সব ভাবতে ভাবতে একসময় চান্দিনা পর্যন্ত পৌঁছে গেলাম।

রাস্তা অনেকটাই ভালো ঝাঁকুনিটা থেমেছে। কিন্তু পেছনে বসলে একটু ঝাঁকুনি তো খেতেই হবে। এই ভেবে ভালো লাগছে যে, দ্রুত বাস টানছে। কিন্তু ঐ যে বলে না ‘এতো সুখ সইবো কেমন করে’। হলোও তাই। যেই না যমুনা সেতু থেকে বাস নামলো।

দোকানি হাসি মুখে বললেন, করোনার জন্য তো দোকানে খাওয়ার ব্যবস্থা এখন বন্ধ। তবে চাইলে বাটি দই খেতে পারেন। আমরা রাজি হলাম। খেতে বসে শুধু দই কি আর খেলে মন ভরে। মারাত্মক মজাদার স্বাদের ছানার সন্দেশও খেলাম সাথে। তার আগে অবশ্য দুইজনে দুইটা ডাব খেয়েছি। ছোট হলেও বেশ পানি ছিল।

অমনি জ্যামে পরে গেলাম। এখানে কিসের জ্যাম ভাবতে ভাবতে। পুরোপুরি সাড়ে তিন ঘণ্টা একই জায়গায় বসে থাকতে হলো জ্যামে। রাত তিনটায় পৌঁছে যাওয়ার যে ভাবনা মাথায় ছিল। তা বেলা দশটায় পৌঁছাতে পারবো কিনা সেটাই ভাবছি বসে বসে।

আশিক একবার দুই বার উঠে দেখেছে। আবার ঘুমের অতলে চলে গেছে। এই দিকে তুমুল খিদে পেয়েছে। ব্যাগে একটা ছোট্ট বিস্কুটের প্যাকেট ছিল বলে রক্ষে। বিস্কুট আর জল খেয়ে কোনো মতে বসে রাইলাম। অসহ্য রকমের মশা, গরম সব মিলিয়ে অস্থির অবস্থা।

শেষে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর জ্যাম ছাড়লো। আমাদের গাড়ি আর কোনো বিরতি দিলো না। সোজা টানতে শুরু করে দিলো। এমন টানই টানলো যে ভোর সাড়ে পাঁচটার মধ্যে আমাদের মজমপুর নামিয়ে দিলো। খিদেটা মারাত্মক লেগেছে।

মজমপুরের মোড়ের হোটেলটাতেই ঢুকে পড়লাম দুইজনে কিছু খাওয়া দরকার। কিন্তু তেলে ভাজা পরোটা দেখে আর খেতে ইচ্ছে হলো না। এই পদার্থ খেলে সারাদিন বুক জ্বলবে। তারচেয়ে একটু দই খেতে পারলে হয়। কিন্তু দোকানে দই নেই। মিষ্টি-ছানা যা আছে তাও মনে হয় না আজকের। তাই আমি বসেই রইলাম।

আশিক রসিয়ে নাস্তা করতে লাগলো। ঐ দিকে রানা ফোন ধরছে না। সম্ভবত ঘুমিয়ে পরেছে। আশিকের নাস্তা শেষে আমরা রওনা দিলাম বড় বাজারের দিকে। ঐ দিকে যেতে যেতে নিশ্চয়ই দোকানপাট খুলতে শুরু করবে। দই পাওয়া যেতে পারে।

ভোর বেলা দই খেতে পারলে মন্দ হবে না। কিন্তু বড় বাজার তখনো ঘুমিয়ে আছে। যে মিষ্টির দোকানে আমরা নিয়মিত দই-মিষ্টি খাই; সেটা এখনো খুলেনি। রেল লাইনের ওপারের দোকানটা খুলেছে অবশ্য। সেখানেই উপস্থিত হলাম। দোকানিকে নমস্কার জানিয়ে বললাম, দাদা দই খেতে চাই। খাওয়া যাবে?

দোকানি হাসি মুখে বললেন, করোনার জন্য তো দোকানে খাওয়ার ব্যবস্থা এখন বন্ধ। তবে চাইলে বাটি দই খেতে পারেন। আমরা রাজি হলাম। খেতে বসে শুধু দই কি আর খেলে মন ভরে। মারাত্মক মজাদার স্বাদের ছানার সন্দেশও খেলাম সাথে। তার আগে অবশ্য দুইজনে দুইটা ডাব খেয়েছি। ছোট হলেও বেশ পানি ছিল।

দোকান থেকে মিষ্টি কিনে সাথে করে নিয়ে রওনা দিলাম রানার বাসার দিকে। ততক্ষণে অবশ্য রানার সাথে কথা হয়েছে। ওই বলেছে বাসার দিকে চলে যেতে। ভোরের ফুরফুরা বাতাসে বড় বাজার থেকে যখন রিক্সায় চেপে আড়ুয়াপাড়ার দিকে রওনা হচ্ছে।

তখন বারবার মনে হচ্ছিল যাব নাকি একবার রবিউল সাধুর ঘরে? বড়বাজারের পাশেই থাকেন। কারণ সময়ের হিসেবে মিলানো যাচ্ছে না। এই যাত্রায় রবিউল সাধুর সাথে সাক্ষাৎ হবে কিনা। সাঁইজির ধামে এসে রবিউল সাধুর সাথে এক ঝলক দেখা না হলে সত্যি আমার কেমন যেন অস্থির অস্থির লাগে।

কিন্তু এখন ঘুম দেয়া প্রয়োজন। রবিউল সাধুও নিশ্চয়ই সাঁইজির আখড়া থেকে এসে ঘুমিয়েছে মাত্র। তাকে এখন বিরক্ত করা ঠিক হবে না। আমরা নতুন ভোরের শুভ্র বাতাসে চললাম রানার বাসায়। কুষ্টিয়া শহরে ছোটভাই রিয়াদ আছে এখন।

বলা যায় অনেক ঘাম ঝড়াতে হলো আর কি। শেষে রানা রাজি হলো। আমরা ছুটলাম সাঁইজির আখড়ার দিকে। রানা হাতের কাজ শেষ করে আমাদের সাথে মিলিত হবে। তার পর একসাথে মহিষকুন্ডি। সাঁইজির আখড়ায় যাচ্ছি সেই তুমুল আবেগে বসে আছি অটোতে। মনে মনে ভাবছি ইশ্ যদি একটু দরজাটা খোলে।

ও খুলনা থেকে এসেছে দোল পূর্ণিমায়। গতকালই চলে যাওয়ার কথা ছিল নূরা পাগলার অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে। কিন্তু আমরা আসছি বলে আজও থেকে গেছে। দেখা করে পরে যাবে।

রানার বাসায় ঢুকেই কোনো কথা নাই। দিলাম ঘুম। নাস্তা রেডি করে রানা ডাক দিয়েছে। যদিও বলে ঘুমিয়েছিলাম ডাক দিতে না। ঘুম থেকে উঠে দেখি রিয়াদ এসেছে। সাথে আরেক ছোটভাই। আগে দেখিনি ওকে। ও নাকি বেশ ভালো গান গায়।

সকলে মিলে সেই মজাদার পরোটা, সবজি ভাজি, ডিম সালাদ দিয়ে জমজমাট একটা নাস্তা করলাম। রানার দাদী আর বোনের রান্নাও অসাধারণ। বিশেষ করে সকালের নাস্তার তো জুড়ি নেই। সেই নাস্তা খেয়ে দেখি আবার ঘুম আসছে। ঘণ্টা দুই-তিন ঘুমিয়ে ঘুমটা ঠিক পোষায় নি।

দেহ আরো ঘুম চাইছে। রানা বের হবে। ওর গুরু নহির ফকির কুষ্টিয়া শহরে এসেছেন কোনো একটা কাজে। রানা দেখা করতে যাবে। আমারো যাবার কথা ছিল। ইচ্ছেও ছিল ষোল আনা। সাঁইজির সাথে সেই রকমই কথা হয়েছে। কিন্তু দেহ মানছে না। দেহ আরো ঘুম চায়।

আশিক অবশ্য চাঙ্গা। চাঙ্গা হবেই না কেনো। বাসে সারাক্ষণ ঘুমিয়েছে। রানার বাসাতেও ঘুমিয়েছে। শেষে আমি আরেকটু ঘুমানোতেই মন দিলাম। ওরা রওনা হলো। এরপর যখন ঘুম ভাঙলো তখন দেখি আশিক আর রানা মাত্র ফিরেছে। তাদের কথাবার্তার শব্দেই ঘুম ভেঙ্গেছে।

এই ফাঁকে রিয়াদ আর সেই ছোট ভাই যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেছে। গা গোসল দিয়ে আবার খেতে বসলাম। এইবার আরো অনেক বাহারি পদ। কঁচি ডাটা শাকের ভাজিটা চমৎকার ছিল। তার উপর বেগুন ভাজি, আলু ভর্তা। পটল ভাজি।

দুই পদের মাছ, ডাল, সালাদ আরো কত কি। আরাম করে খেয়ে। দেহ-মন চাঙ্গা করে। অনেক অনেক তেল মেরে রানাকে শেষ পর্যন্ত রাজি করতে সমর্থ হলাম। আমাদের সাথে মহিষকুন্ডি যেতে। সে গো ধরে বসে আছে। কিছুতেই যাবে না। অনেক ক্যালরি খরচ করে তাকে রাজি করাতে হলো।

বলা যায় অনেক ঘাম ঝড়াতে হলো আর কি। শেষে রানা রাজি হলো। আমরা ছুটলাম সাঁইজির আখড়ার দিকে। রানা হাতের কাজ শেষ করে আমাদের সাথে মিলিত হবে। তার পর একসাথে মহিষকুন্ডি। সাঁইজির আখড়ায় যাচ্ছি সেই তুমুল আবেগে বসে আছি অটোতে। মনে মনে ভাবছি ইশ্ যদি একটু দরজাটা খোলে।

(চলবে…)

<<ফর্সা হাজীতে আরেক দফা ।। সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-দুই>>

………………………..
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব এক
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব দুই
মনোমোহনের পথে : প্রথম কিস্তি
মনোমোহনের পথে : দ্বিতীয় কিস্তি
মনোমোহনের পথে : তৃতীয় কিস্তি
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি এক
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি দুই
শাহান শাহ্’র দরবারে : পর্ব এক
শাহান শাহ্’র দরবারে – পর্ব দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : এক
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- এক
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- দুই
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই
টকিমোল্লায় গানে আসর
ফর্সা হাজীতে আরেক দফা
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-এক
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-তিন
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-চার
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-পাঁচ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!