সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা

-মূর্শেদূল মেরাজ

সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক

কুষ্টিয়ার আশপাশ দিয়ে যাব আর সাঁইজির ধাম হয়ে আসবো না এটা কি হতে পারে আদৌ? মনের গহীনে একটা ইচ্ছে আগাগোড়াই ছিল। এক ফাঁকে সাঁইজির ধামে একটু ভক্তি দিয়েই ফিরতে হবে। কিন্তু কথাটা তুলি নাই তখনো।

সময় সুযোগ বুঝে বলতে হবে ভাবছিলাম। এমনিতেই আমার ব্যাপক বদনাম আছে। আমি নাকি যাত্রা কেবল দীর্ঘই করি। তাই মনের কথা মনে রেখে চুপটি করে আছি। এবারের যাত্রার প্রাথমিক পরিকল্পনাটা এমন ছিল যে, আমরা প্রথমে পদ্মা পার হয়ে চলে যাবো মাদারীপুর।

মাদারীপুরে সাধক শিল্পী আবুল ভাইয়ের বাড়িতে একটা গোটা রাত কাটিয়ে। পরদিন যাব মিঠুন দার’র বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানে বিয়ের অনুষ্ঠানের পরও দুই দিন হাতে থাকে মাঝে। তারপর ২২ তারিখে আবার নিরা গোঁসাইয়ের উৎসব। নিরা গোঁসাইয়ের আশ্রমও মিঠুন দা’র বাড়ির ঠিক পাশেই।

সেই অনুষ্ঠান শেষ করে তবে ঢাকায় ফিরবো। আশিক আগেই বলে নিয়ে গেছে। ভাই আপনি কিন্তু যাত্রা বড় করবেন না। তাই আমি চুপচাপ আছি। ১৪ ফেব্রুয়ারি আমি গুলিস্তান থেকে বাসে উঠে বসলাম উদ্দেশ্য মাওয়া ঘাট। উত্তরা থেকে আশিক রওনা হয়েছে।

সাথে আছে আউলিয়া আর ছোটভাই রকিব। ফয়েজ রওনা দিবে যাত্রাবাড়ি থেকে। একে একে আমরা যখন চারজন একত্রিত হলাম পদ্মার পাড়ে। তখন ইলিশ খাওয়ার লোভে ধরেছে। গত তিন বছরের বেশি সময় ইলিশ খাওয়া হয়নি। আজ খাবো।

তাই আমার উৎসাহ বেশি। কিন্তু মওয়ার ঘাট এখন যেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে আদি কোনো দোকান আর অবশিষ্ট নেই। সবই বিশাল সাইজের আলিশান ঝা চকচকে দোকান। এইসব দোকানে খাওয়ায় আমার তেমন কোনো রুচি নেই।

একসাথে আমাদের নিয়ে ফিরবে। বেতাগা বাজারের বিখ্যাত জিলেপীর একটা দোকান আছে। গতবার জিলেপী খেয়েছিলাম বটে। কিন্তু দোকানে আর আসা হয় নি। আশিক অবশ্য সব চিনে। ওকেও সবাই চিনে। বেতাগা বাজারে নামতেই সে আমাদের নিয়ে চললো জিলেপী খাওয়াতে।

ছোটখাটো ভাঙ্গাচুড়া দোকানেই খেতে বেশি ভালো লাগে। আশিকও যখন তেমন দোকানই খুঁজতে শুরু করলো; তখন মনটা শান্ত হলো। যাক। আশিক যখন খুঁজতে বের হয়েছে একটা ব্যবস্থা হবেই। মাওয়া ঘাটের হোটেল কর্মচারীরা রীতিমতো ছিনতাইকারী হয়ে উঠেছে।

চলন্ত গাড়ি থামিয়ে দিয়ে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে মানুষজনকে হোটেলে নেয়ার জন্য টানাটানি করছে। আমরা সে সবে না গিয়ে নদীর পাড়ের দিকে হাঁটা দিলাম। হাঁটতে হাঁটতে ২ নাম্বার ঘাটে পেয়ে গেলাম এমন একটা হোটেল যা আমরা চচ্ছিলাম।

নদীর বাঁধানো পাড়ের ঠিক পাশেই টং দোকানে ভাজা হচ্ছে ইলিশ মাছ। আর বিশাল ছাতার নিচে টেবিল চেয়ার। আমরা আর দেরি না করে। চোখে মুখে জল দিয়ে বসে পরলাম। ইলিশ খাবো সেই আনন্দ আর ধরে না। ফয়েজ তখনো এসে পৌঁছায় নি।

সময়ের হিসেব কষে আশিক বললো, বলেন তো কি করা যায়?

আমি বললাম, এই যাত্রায় আবুল ভাইয়ের বাসায় না গিয়ে খুলনার দিকে রওনা হই। সুমনের প্রেমানন্দ ধামে আজ রাত কাটিয়ে কাল মিঠুন দার বাড়ির পথ ধরি।

আশিক বললো, সুমনও এমনটাই বলেছে। আবুল ভাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। আপনারা তো মিঞা গতবার ঘুরে আসছেন। যাক পরে যাবো নে।

আসলে সুমনের ঐখানে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো মায়ের হাতে টক খাওয়া। মায়ের হাতের তেঁতুলের পাতলা টকের স্বাদের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তার জন্য আবুল ভাইয়ের বাসায় থাকার মতো সিদ্ধান্তও পাল্টে ফেলা যায়।

পাঁচ জনে যখন লঞ্চে পদ্মা পেরিয়ে, বাসে করে কাটাখালি নামলাম তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। চা-পানি-পিঠা-কলা খেয়ে অটোতে চেপে বসলাম। উদ্দেশ্য বেতাগা বাজার। সুমন দাসও সেখানে আছে। আগামীকাল সরস্বতী পূজা। বাজার করতে এসেছে।

একসাথে আমাদের নিয়ে ফিরবে। বেতাগা বাজারের বিখ্যাত জিলেপীর একটা দোকান আছে। গতবার জিলেপী খেয়েছিলাম বটে। কিন্তু দোকানে আর আসা হয় নি। আশিক অবশ্য সব চিনে। ওকেও সবাই চিনে। বেতাগা বাজারে নামতেই সে আমাদের নিয়ে চললো জিলেপী খাওয়াতে।

বিষ্ণুর জিলেপী। ভাঙ্গাচোড়া দোকানটা দেখেই মন ভরে গেলো। এমন দোকানেই তো খেতে চাই। দোকানে দীর্ঘ লাইন। প্রতিদিনই থাকে। তবে স্বরসতী পুজা হওয়ায় সেই লাইন আরো দীর্ঘ হয়েছে। অনেককেই ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

রাতের সেবায় মা যখন পাতে বারবার টক তুলে দিচ্ছিলেন তখন আমাদের স্বস্তির নি:শ্বাস পরছে। আহ্ সেই স্বাদ কতদিন পর নিলাম। মাকে জানিয়ে দিলাম, আমরা আসলে সেবায় অন্য কিছু থাক বা না থাক টক থাকতেই হবে। টক না হলে আমাদের চলবে না।

আমাদেরকেও প্রথমে বলে দেয়া হলো আজ হবে না। অনেক অর্ডার আছে। কিন্তু তা বললে শুনছে কে। আশিক তার আবদারের সুরে ঠিক ঠিকই আদায় করে নিলো। যারা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, তারাও সেই করুণ সুর শুনে বলতে লাগলো, দাও দাও মেহমানদের আগে দাও।

আমরা গোল করে চেয়ার নিয়ে বসে পরলাম। মচমচে জিলেপীর গন্ধে মৌ মৌ করছে দোকান। আর একপাশে সারি সারি করে রাখা দই। আমরা অবশ্য আগেই ঠিক করে রেখেছি, দই মিষ্টি খাবো ভাইভাই মিষ্টির দোকান থেকে।

গতবার ছানার জিলেপী, আর ছানা খেয়ে মুগ্ধ হয়েছি। আপাত চিন্তা হলো এই জিলেপী খেয়ে সেই দোকানে যাব। রকিব বললো, ভাই জায়গা রাইখেন পেটে। দই মিষ্টি খামু কিন্তু।

কিন্তু এমন স্বাদের জিলেপী চলে আসলে কে আর থামতে পারে। পটাপট মুখে পুরতে লাগলাম একের পর এক। যখন আমরা থেমেছি তখন আর কারো পেটেই জায়গা অবশিষ্ট নেই। সেই রাতে আর মিষ্টি খাওয়া হলো না আমাদের।

রকিব আর ফয়েজ প্রথম এসেছে। তারা চারপাশ দেখছে। এটা সেটা জানতে চাইছে। কি উত্তর যে দেই। আমি নিজেই তার কতটা জানি? জিলাপী খাওয়া শুরু করতে করতে সুমন দাস বাউলও চলে আসলো। সুমনের সাথে দেখার পর প্রথম যে কথাটা জানতে চাইলাম, তা হলো, মা কি টক রান্না করেছে?

সুমন নিরস কণ্ঠে জানালো, এখন তো গাছে তেঁতুল পেঁকে গেছে, কাঁচা তেঁতুলের খোঁজ চলছে। পেলেই রান্না হবে। মা প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছে।

রাতের সেবায় মা যখন পাতে বারবার টক তুলে দিচ্ছিলেন তখন আমাদের স্বস্তির নি:শ্বাস পরছে। আহ্ সেই স্বাদ কতদিন পর নিলাম। মাকে জানিয়ে দিলাম, আমরা আসলে সেবায় অন্য কিছু থাক বা না থাক টক থাকতেই হবে। টক না হলে আমাদের চলবে না।

কিন্তু দিন যতই এগিয়ে আসতে লাগলো আমরা হিসেব নিকেষ করে বুঝতে পারলাম। মাঝের দুইদিন দেখা গেলেও যাতায়াতে যে সময় লাগবে তাতে যাত্রাটা স্বস্তিকর হবে না। অন্যরাও মানা করলো। সেখানে গেলে নিরা গোঁসাইয়ের অনুষ্ঠানও ঠিক মতো দেখতে পাবো না।

অনেকদিন পর প্রেমনন্দ ধামে এসেছি। এখন ঘেরের পানি অনেকটাই শুকিয়ে গেছে। ধামের চেহারা পাল্টেছে প্রকৃতির খেয়ালে। তবে চারপাশ জুড়ে গাঁদা ফুল ফুটে যেন নতুন ঝিলিক লাগিয়ে দিয়েছে। ফুল প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি। মন ভালো করে দেয়ার অন্যতম অনুষঙ্গ বলা চলে।

আসলে কেবল ফুল নয়। প্রকৃতি নিজেই একটা বিস্ময়। তার প্রতিটা কণায় লুকিয়ে আছে অপার সম্ভাবনা। তা মুর্হূতে মানুষকে কোথা থেকে কোথায় যে নিয়ে যায়। তার তাল মেলা যায় না। ধরুন আপনার প্রচন্ড মন খারাপ। ঘরে বসে আছেন। বাইরেও প্রচণ্ড গরম।

রোদ ঝাঁঝা করছে। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখবার মতো কিছুই পাচ্ছেন না। হঠাৎ করেই আকাশ ঘন অন্ধকার হয়ে বিদ্যুৎ চমকে বৃষ্টি নামতে শুরু করে দিলো। প্রকৃতি শীতল হয়ে উঠলো। সাথে আপনার মনও শীতল হয়ে উঠলে। অথচ যে কারণে মন খারাপ হয়েছিল।

সেই কারণ কিন্তু সেই রকমই আছে, শুধু প্রকৃতির পরিবর্তনে সবটা পাল্টে গেলো। এতো একটা উদাহরণ হলো মাত্র। ভাবলে দেখা যাবে প্রতিদিন, প্রতিমুর্হূতে প্রকৃতি আপনার চিন্তা-চেতনাকে প্রতি নিয়ত ভিন্ন ভিন্ন দিকে ধাবিত করছে। প্রকৃতি আসলেই রহস্যময়।

মিঠুন দার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর আর নিরা গোঁসাইয়ের উৎসবের মাঝে যে দুই দিন ফাঁকা আছে। কিছু করবার নেই। সে সময়টায় সুন্দরবন যাওয়ার একটা খসড়া পরিকল্পনা ছিল মিঠুন দা’র। আশিক হঠাৎ করে মনের কথা বুঝে বলে ফেললো- চলেন, এই দুই দিন এখানে থেকে কি হবে। আমরা কুষ্টিয়া ঘুরে আসি।

কুষ্টিয়া যাওয়া হবে। এরচেয়ে আনন্দের সংবাদ আর কি হতে পারে? সেই মোতাবেক পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেললাম। অন্যদের আর সাথে নিবো না। আমরা দুইজন টুক করে চলে যাব। সাঁইজির ধামে ভক্তি দিয়ে। এদিক সেদিক করে তারপর আবার চলে আসবো কালেখাড় বেড়ে।

কিন্তু দিন যতই এগিয়ে আসতে লাগলো আমরা হিসেব নিকেষ করে বুঝতে পারলাম। মাঝের দুইদিন দেখা গেলেও যাতায়াতে যে সময় লাগবে তাতে যাত্রাটা স্বস্তিকর হবে না। অন্যরাও মানা করলো। সেখানে গেলে নিরা গোঁসাইয়ের অনুষ্ঠানও ঠিক মতো দেখতে পাবো না।

আবার কুষ্টিয়াতেও দৌড়ের উপর ঘুরে ফিরে আসতে হবে। তাই পরিকল্পনা নতুন করে সাজিয়ে এমনটা করা হলো যে- আমরা নিরা গোঁসাইয়ের অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন রাতে কুষ্টিয়ার দিকে রওনা দিবো। ২৪ তারিখ সকালে কুষ্টিয়া গিয়ে পৌঁছাবো।

সাঁইজির ধামে যখন প্রবেশ করছি তখন গুটি কয়েকজনই ধামে ঘোরাফেরা করছে। কতদিন পর আসলাম। তাও না না করে মাস খানেক তো হবেই। কি জানি কেনো। সাঁইজির ধামে আসলেই ভাষা হারিয়ে যায়। কত কি বলবার থাকে। কিন্তু কিছুই বলা হয়ে উঠে না।

২৪ তারিখ কুষ্টিয়া থেকে ২৫ তারিখ পাককোলা বুড়ি মার আনন্দ আশ্রম ঘুরে তবে ঢাকায় ফিরবো। রকিব, রাহাত, ফয়েজও সঙ্গী হবে বলে আবদার করলো। আমরাও অমত করলাম না।

ছোটভাই রকিবের সাথে অনেক জায়গাতে অনেকবারই দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে। কেমন আছ, ভালো আছি আলাপচারিতা এর বেশি খুব একটা এগোই নি কখনো। ফর্সা হাজী থেকে আলাপচারিতায় পঞ্চব্যাঞ্জন যুক্ত হয়েছে।

সদরকোঠায় আড্ডাটা জমেছে। তারপর থেকে আমাদের সঙ্গে প্রায়ই ওকে দেখা যাচ্ছে। সেই রেশ ধরে আমাদের সাথে চলে এসেছে খুলনার পথে। সাধুগুরু হুমায়ুন সাধুর ভক্ত ছেলে রকিব।

নিরা গোঁসাইয়ের অনুষ্ঠান পূর্ণরূপে উপভোগ করে দ্বিতীয় দিন বিকেলের পর আমরা বেড়িয়ে পরলাম খুলনার উদ্দেশ্যে। স্টেশনে পৌঁছানোর কয়েক মিনিটেই সীমান্ত ট্রেন উপস্থিত। উঠে পরলাম আমরা চারজন। হ্যা চার জন। বিশেষ কাজে রাহাতকে যশোর যেতে হয়েছে।

অবশ্য ঘণ্টাখানেক পর যশোর স্টেশন থেকে সে আমাদের সঙ্গী হবে। ঘড়ির কাটা মেপে ট্রেন যখন পোড়াদহ্ রেল স্টেশনে থামলো। তখন কুষ্টিয়ার ছোটভাই রানা অটো নিয়ে উপস্থিত। রাতটা ওর বাসাতেই ঘুম দিবো, সকালে সাঁইজির ধাম।

আশিক অবশ্য আগেই বায়না করে নিয়েছে। সকালে রানার বাসার সেই মজাদার পরোটা, আলু ভাজি আর ডিম ভাজা খাবো নাস্তা হিসেবে। রানা অবশ্য জানে। আমরা এ সব না খেয়ে বাড়ি থেকে বের হবো না। অগত্যা তাকে তাই করতে হলো। আমরাও নাস্তা খেয়ে ধামের দিকে রওনা হলাম।

সাঁইজির ধামে যখন প্রবেশ করছি তখন গুটি কয়েকজনই ধামে ঘোরাফেরা করছে। কতদিন পর আসলাম। তাও না না করে মাস খানেক তো হবেই। কি জানি কেনো। সাঁইজির ধামে আসলেই ভাষা হারিয়ে যায়। কত কি বলবার থাকে। কিন্তু কিছুই বলা হয়ে উঠে না।

(চলবে…)

<<নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই।। সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই>>

………………………..
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব এক
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব দুই
মনোমোহনের পথে : প্রথম কিস্তি
মনোমোহনের পথে : দ্বিতীয় কিস্তি
মনোমোহনের পথে : তৃতীয় কিস্তি
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি এক
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি দুই
শাহান শাহ্’র দরবারে : পর্ব এক
শাহান শাহ্’র দরবারে – পর্ব দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : এক
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- এক
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- দুই
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই
টকিমোল্লায় গানে আসর
ফর্সা হাজীতে আরেক দফা
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-এক
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-তিন
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-চার
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-পাঁচ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!