সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি

সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ

-মূর্শেদূল মেরাজ

সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- পাঁচ

সত্যি বলছি ফিরতি টিকেট কাটা না থাকলে। আবার কয়দিন পর মিঠুন দা’র বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রামপাল যাওয়ার তাড়া না থাকলে আমাকে কেউ ঝড়ঝড়ি থেকে সাত দিনের আগে কেউ নামাতে পারতো না। কিন্তু দলে গেলে যা হয়।

শেষ পর্যন্ত নেমে আসতে হলো। কি আর করা। আবার যাবো এমন একটা প্রতিজ্ঞা মনে মনে করে সকলেই নামার পথ ধরলাম। যদিও অনেক প্রতিজ্ঞাই আর রাখা হয় না। আসলেই আবার যাওয়া হবে কিনা কে জানে। মন ভার করে ফিরতি পথ ধরলাম।

সুমন তার ব্যাগে বিশাল বিশাল সব পাথর ঢুকিয়ে নিজের কয়েকগুণ ওজন করে তুলেছে ব্যাগকে। সব কয়টা পাথর সে সঙ্গে নিতে চেয়েছিল। শেষে অনেক মনো কষ্ট নিয়ে বাকিগুলো রেখে। সাঁইজির প্রতিচ্ছবিময় পাথর খানা ফেলে আসতে পারেনি।

সেই সব পাথর নিয়ে ব্যাগ তার ওজনের চেয়েও বেশি হয়ে গেছে। তাই সে সোজা হাঁটা দিয়েছে হন হন করে। তার পিছু পিছু অনেকটা দূরে আমি আর আউলিয়া। ধীরে ধীরে আমরা এগিয়ে চলেছি।

একা একা অনেকটা নামার পর আউলিয়াকে পেয়েছি সাথে। ও কিছুটা পেছনে ছিল। তবে ধরে ফেলেছে আমাকে। আশিক ভয় পাচ্ছিল আবার সেই ঠাণ্ডা পানি পারাতে হবে। আমি বলেছিলাম রোদ উঠলে এতোটা ঠাণ্ডা থাকবে না। আশিক সেই কথায় খুব একটা ভরসা পায়নি।

তবে সত্যি সত্যি পানি এখন আর আসার দিনের মতো ঠাণ্ডা নয়। অনেকটাই সহ্যের মধ্যে। আমি আর আউলিয়া পাহাড়ের-প্রকৃতির সৌন্দর্যের গল্প করতে করতে এগিয়ে চলেছি। যেখানে গিয়ে জুতোটা পরে নিলে হয়। যার পর আর ঝিরি পথে পানি নেই তার কিছুটা আগে আশিক আমাদের ধরে ফেললো।

এতোটা পথ ও একা একা এসেছে। ও খুবই এক্সাইটেড। একা একা হাঁটতে কি কি অনুভূতি হয়। কতটা ভালোলাগা তৈরি হয় সেই সব গল্প করতে করতে আমরা যেখানে আসার পথেও বিশ্রাম নিয়ে জুতো খুলে ব্যাগ ঢুকিয়ে নিয়েছিলাম।

সেখানটায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে বাকিরাও আমাদের ধরে ফেললো। সেখানে সুমনকেও পেয়ে গেলাম। সেও বিশ্রাম নিচ্ছে। সেখানে কিছু সময় সক্কলে বিশ্রাম নিয়ে খেঁজুর-জল ইত্যাদি খেয়ে আবার রওনা করলাম। সকলের মুখেই কেবল ঝড়ঝড়ি ছেড়ে আসার বেদনার গল্প।

এবার কিছুটা উঁচুতে উঠতে হবে। তারপর কেবলই নামার পালা। আমরা ধীরে ধীরে আলাপ করতে করতে এগুচ্ছিলাম। একথা সেকথার ফাঁকে ফাঁকে ছিল কেবলই বিদায়ের সুর।

হাঁটতে হাঁটতে একেবারে বসতির কাছাকাছি এসে আবারও আমরা সুমনকে ধরে ফেল্লাম। সিদ্ধান্ত হলো এখান থেকে দল দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাবে। আমরা তিন জন ধীরে সুস্থে এগুবো। কি কি করবো সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবো।

আমাদের হাতে অফুরন্ত সময়। বাকিরা দ্রুত চলে যাবে চন্দ্রনাথের পথে। তাদের বিকেলের মধ্যে চন্দ্রনাথ মন্দির হয়ে পাতালকালী গিয়ে চলে যাবে সোজা চট্টগ্রাম রেল স্টেশন। আর আমরা ঘোরাঘুরি করে তারপর যাব স্টেশনে। রাত সাড়ে বারোটায় ট্রেন।

আমরা প্রথমে মধু শাহ্ বাবার মাজারে যাওয়ার কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেলে সেটা অনেকটাই দূরে। সেখানে গেলে সময় মিলানো যাবে না। তাই দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত হলো কাছাকাছি কোনো একটা বীচে গিয়ে সমুদ্রের জল দেখে দেখে দিনটা কাটিয়ে দেবো।

তাই সমুদ্রের জলে স্নানের চিন্তাটা বাদ দিয়ে আশিক হ্যামকে ঝুলছে। আমরা কম্বল বিছিয়ে ল্যাটাচ্ছি। আশপাশে বিচিত্র সব মানুষ ঘোরাঘুরি করছে। অনেকেই আশপাশের মানুষ। বিকেল বেলা ঘুরতে এসেছে। অনেকে এসেছে বহু বহু দূর থেকে।

আরা যেখানে বসে বসে অপর দলের চলে যাওয়া দেখছিলাম। তার পাশেই বেগুন ক্ষেত। তার পাশে বসে থাকতে থাকতে রাহাত আবিষ্কার করলো আবুইল্লার পাতা। টক টক স্বাদের এই পাতাকে আমরা চিনি ভিন্ন নামে। কিন্তু কিছুতেই এখন সেই নামটা স্মরণে আনতে পারছি না।

তবে রাহাতরা টাঙ্গাইল গিয়ে এই নাম শিখে এসেছে। সেই আবুইল্লার পাতা মুখে দিয়ে বেশ স্বাদ স্বাদ হলো মুখটা। আশিক হঠাৎ বললো, আসেন বেগুন পুড়িয়ে খাই। শোনা মাত্রই রাহাত কাজে লেগে গেলো। আশপাশটা ভালো করে দেখে।

আমি চুপচাপ তিনখানা বেগুন আর কয়েকটা কাঁচা মরিচ পেরে নিয়ে আসলাম। কথা রইলো ক্ষেতের মালিকপক্ষ আসলে টাকা দিয়ে দেয়া হবে। রাহাত অল্প সময়ে শুকনো কাঠ জোগার করে আগুন ধরিয়ে ফেললো। কলাপাতা কেটে তাতে মুড়িয়ে বেগুন পুড়তে দেয়া হলো সেই আগুনে।

গরম গরম বেগুনে সাথে থাকা সরিষার তেল কাঁচামরিচ দিয়ে খেতে গিয়ে মনে হলো একটু লবণ হলে বেশ হয়। কিন্তু সেসব চলে গেছে ফয়েজের ব্যাগে। কি করা! আবুইল্লার পাতা ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। দেখতেই বোঝা যাচ্ছে বেশ স্বাদ হয়েছে।

কিন্তু একটু লবণ যদি পাওয়া যেত। এই পথে বসতবাড়িও নেই যে কারো বাড়ি থেকে নিয়ে আসি। শেষে মনে পরলো ব্যাগে খাবার স্যালাইন আছে। সেই কথা বলতে আশিক বললো। বের করেন মিঞা আজ স্যালাইন দিয়াই লবণ বানায়া খামু।

অনেক হিসেব নিকেশ করে শেষ পর্যন্ত আমরা গুলিয়াখালি সি বীচেই চলে এসেছি। কম্বল বিছিয়ে ঘাসের উপর বসে কখনো হ্যামকে শুয়ে অপরূপ সূর্যাস্থ দেখলাম। তবে এখন ভাটার সময়। সমুদ্র অনেকটা দূর। সেখানে যেতে চাইলে কাঁদা পেরুতে হবে।

তাই সমুদ্রের জলে স্নানের চিন্তাটা বাদ দিয়ে আশিক হ্যামকে ঝুলছে। আমরা কম্বল বিছিয়ে ল্যাটাচ্ছি। আশপাশে বিচিত্র সব মানুষ ঘোরাঘুরি করছে। অনেকেই আশপাশের মানুষ। বিকেল বেলা ঘুরতে এসেছে। অনেকে এসেছে বহু বহু দূর থেকে।

কক্সবাজারই যে জীবনের একমাত্র লক্ষ হতে পারে না। গুলিয়াখালি সি বীচও যে দেখবার জিনিস তা সে বুঝিয়েই চলছে। এমন সব নানা বিচিত্র ঘটনা ঘটছে চারপাশে। তবে সকলেই ব্যস্ত ছবি তোলায়। সেই যুবক তার থেকে অনেক বেশি তরুণ এবং প্রথম চট্টগ্রাম আসা তরুণকে এইবার বোঝাতে শুরু করেছে।

একজন ফটোগ্রাফার একটা দলকে ধরে ফেললো। দলটা প্রথমে নিজেদের মোবাইলে সমানে ছবি তুলে গেলেও ফটোগ্রাফার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে তাদের রাজি করিয়ে ছাড়লো। তারপর যা শুরু হলো তা দেখে আমরা হাসতে হাসতে শেষ।

ফটোগ্রাফার তাদের বলছে আপা একটু চুল ধরেন। আপা এক পা সামনে দেন। আপা এমন করেন। আপা তেমন করেন। ভাইজান পা কেসকি দিয়ে দাঁড়ান। ভাইজান হুডির ফিতা গুলো ধরে দাঁড়ান। সেই সব বিচিত্র সব ভঙ্গি করিয়ে একের পর এক ছবি তুলে চলছে।

আর তাদের সেই সব ভঙ্গিমা দেখে আমরা হাসিতে গড়াগড়ি খাচ্ছি। কিছুটা দূরে একটা ছোট্ট বাচ্চা মেয়েকে দেখা যাচ্ছে। তার কাঁধে অনেকগুলো ব্যাগ। বেশ কিছু জুতা হাতে দাঁড়িয়ে আছে অসহায়ের মতো। তারও অনেকটা দূরে একটা অভিজাত পরিবার বীচের কাছাকাছি যেয়ে নিজেরা ছবি তুলছে।

নিজেদের বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে তারা মজা লুটছে। আর একই বয়সী কাজের মেয়েটার হাতে সমস্ত জিনিসপত্র দিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। পোশাকে তাদের অভিজাত মনে হলেও, মনে যে তারা অভিজাত হয়ে উঠতে পারেনি সে তো আর বলবার অপেক্ষা রাখে না।

এক শশা বিক্রেতা মামাকে পাওয়া গেল। নাম ইলিয়াস মোল্লা। জানা গেল তিনি গান করেন। গাইবার অনুরোধ করতে গেলে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, বাদ্য ছাড়া তিনি গান গাইতে পারেন না। বাদ্য আনলে তিনি গান গেয়ে শোনাবেন। কিন্তু সেই উপায় নেই।

গানের যন্ত্রপাতিও চলে গেছে অন্য দলের সালে। তাই আমরা শশা খেয়েই তাকে বিদায় জানালাম। অন্যদিকে আরেকটা ছোট দল বসেছে আমাদের কাছাকাছি। সেখানে জীবনের প্রথম চট্টগ্রাম আসা এক যুবককে সেই দলের সবচেয়ে বয়সে বড় যুবকটি জ্ঞান দিচ্ছে সমানে।

কক্সবাজারই যে জীবনের একমাত্র লক্ষ হতে পারে না। গুলিয়াখালি সি বীচও যে দেখবার জিনিস তা সে বুঝিয়েই চলছে। এমন সব নানা বিচিত্র ঘটনা ঘটছে চারপাশে। তবে সকলেই ব্যস্ত ছবি তোলায়। সেই যুবক তার থেকে অনেক বেশি তরুণ এবং প্রথম চট্টগ্রাম আসা তরুণকে এইবার বোঝাতে শুরু করেছে।

আবার সেই রূপ দেখে মনের রূপ পাল্টাতেই বা পারে কয়জনা। প্রকৃতির অপার মহিমা দেখে মনের ভেতর যেমন তোলপাড় শুরু হয়ে যায় সময়ে সময়ে। তেমনি আবার কখনো কখনো সামনে চলে আসে নিজের অসহায়ত্ব। পাওয়া-না পাওয়া, চাওয়া- না চাওয়া কত কি কথা চোখের সামনে ভেসে উঠে।

ট্রেন থেকে বাস অনেক ভালো। তরুণ বলে, বাসে তার বমি পায়। যুবক বলে আরে বমি করতে করতেই তো ঠিক হয়ে যাবে। তাই বলে কি বাসে উঠা হবে না? আর ট্রেন তো বেশি ঝাঁকায়। এতো ঝাঁকালে তো শরীরের কলকজ্বা নড়ে যাবে।

তরুণ সুরু কণ্ঠে বলে, বাসে বমি হয় সেটা বেশ অস্বস্তির। সে ট্রেনেই যাতায়াত করতে সাচ্ছন্দ বোধ করে। যুবকটির কণ্ঠ শুনেই বুঝছিলাম। দীর্ঘ আধঘণ্টার বেশি এই বিষয়ে জ্ঞান দেয়ার পরও তরুণটি যখন বাস থেকে ট্রেনকেই এগিয়ে রাখছে তখন সে পারলে তাকে পেটায়।

নিজেকে অনেকটা সামলে দাঁত কিরমির করতে করতে যুবক বললো- “আরে তুমি আর কি বমি করো। আমরা তো বমি করে বাস ভাসায়া দিছি। আমরা তো রক্ত বমি পর্যন্ত করতাম।”

সেই যুবকের সাথে তাল মেলানো আরেক যুবক বললো আরে সেইটা হইলো, আমাশা বমি। রক্ত আমাশা বলি বুঝলা।

এই সব নানান কথা শুনতে শুনতে আমরা হাসিতে গড়াগাড়ি করতে করতে উঠে পরলাম। সূর্য ডুবে যাচ্ছে। অদ্ভুত একটা আলো ছড়িয়ে সে বিদায় জানাচ্ছে। প্রকৃতি এমনি এক বিস্ময়। কখন, কোথায় কিভাবে যে তার রূপ পাল্টাবে তা বলা মুশকিল।

আবার সেই রূপ দেখে মনের রূপ পাল্টাতেই বা পারে কয়জনা। প্রকৃতির অপার মহিমা দেখে মনের ভেতর যেমন তোলপাড় শুরু হয়ে যায় সময়ে সময়ে। তেমনি আবার কখনো কখনো সামনে চলে আসে নিজের অসহায়ত্ব। পাওয়া-না পাওয়া, চাওয়া- না চাওয়া কত কি কথা চোখের সামনে ভেসে উঠে।

সূর্যাস্ত এমনি এক মুর্হূত। এই সময় ভাবনায় ডুবে গেলে বিপদ। বড্ড বিপদ। বিষন্নতা চলে আসতে পারে মনে। তাই তাকে আর পাত্তা না দিয়ে উঠে পরলাম আমরা। ভালো ভালো মন নিয়ে এইবার ফিরতে হবে। বিদায় বেলায় মনে পরে জীবনানন্দকে। মনে পড়ে ‘সহজ’ এর কয়টা লাইন-

তুমি জল-তুমি ঢেউ – সমুদ্রের ঢেউয়ের মতন
তোমার দেহের বেগ- তোমার সহজ মন
ভেসে যায় সাগরের জলের আবেগে!
কোন অন্ধকারে
জানে না সে !- কোন ঢেউ তারে
অন্ধকারে খুঁজিছে কেবল
জানে না সে !- রাত্রির সিন্ধুর জল,
রাত্রির সিন্ধুর ঢেউ
তুমি এক! তোমারে কে ভালোবাসে ! – তোমারে কি কেউ
বুকে ক’রে রাখে!
জলের আবেগে তুমি চ’লে যাও,-
জলের উচ্ছ্বাসে পিছে ধূ ধূ জল তোমারে যে ডাকে!

(চলবে…)

<<সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার ।। নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক>>

………………………..
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব এক
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব দুই
মনোমোহনের পথে : প্রথম কিস্তি
মনোমোহনের পথে : দ্বিতীয় কিস্তি
মনোমোহনের পথে : তৃতীয় কিস্তি
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি এক
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি দুই
শাহান শাহ্’র দরবারে : পর্ব এক
শাহান শাহ্’র দরবারে – পর্ব দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : এক
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- এক
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- দুই
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই
টকিমোল্লায় গানে আসর
ফর্সা হাজীতে আরেক দফা
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-এক
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-তিন
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-চার
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-পাঁচ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!