সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে

সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-দুই

-মূর্শেদূল মেরাজ

সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-দুই

একবার যদি ভক্তি দেয়া যায় সাঁইজিকে। কিন্তু আমাদের কপাল খারাপ। সাঁইজি কৃপা করলেন না এই যাত্রায়। দোলে আসিনি বলেই হয়তো এই শাস্তি। যাক কি আর করা। তিনি যা করেন। তাঁর উপরে তো আর কথা নেই। সদর দরজার সামনেই ভক্তি দিলাম।

ভক্তি শেষেই তাকিয়ে দেখি রবিউল সাধু এগিয়ে আসছেন; আমাকে অবাক করে দিয়ে। তিনি সাধারণত দিনের বেলা আসেন না। বিকেলের পর আখড়ায় আসেন। সারারাত থেকে ভোরের দিকে ঘরে চলে যান। এটাই ওনার রুটিন। কিন্তু আজ তাকে এই অবেলায় দেখে আমি সত্যিই বিমোহিত।

তিনিও বললেন, ‘কি মনে করে জানি চলে আসলাম। প্রতিদিন আসি না এই সময়। মাঝে মধ্যে আসি। আজ এসে আপনার সাথে দেখা হয়ে গেলো। সবই তাঁর ইচ্ছা। তিনি সবই করতে পারেন।’ বাকিটা সময় রবিউল সাধুর সাথেই গাল-গল্প করে কেটে গেলো। এরই মাঝে অনেকের সাথেই সাক্ষাৎ হলো। ভক্তি পর্ব চললো।

সাঁইজির আখড়ার সামনে সন্ধ্যাবাতি দিয়ে তবে রওনা দিলাম মজমপুরের দিকে। রানাও সেখানে আসছে। টিকেট কাটতে গিয়ে জানা গেলো, আজ থেকে দুই সীটে এক যাত্রী নিয়ম চালু হয়েছে গণপরিবহনে। দেশে করোনা অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে।

দ্বিগুণ টাকার টিকেট কেটে আমরা উঠে পরলাম প্রাগপুরের বাসে। নামতে হবে ডাঙ্গের বাজার। সেখান থেকে অটো বা ভ্যানে খাইরুল ভাইয়ের বাড়িতে। ওখানেই হচ্ছে সাধুসঙ্গ। ওহ্ বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম। সেখানে নহির সাঁইজিও গেছেন। তা জেনে সকালে যে উনার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারিনি সেই অনুপাত কিছুটা কমেছে।

বাস যখন আমাদের ডাঙ্গের বাজার ছাড়িয়ে আরো একটু আগে। আমাদের বলা নির্ধারিত স্থানে নামিয়ে দিলো। তার অনেক আগেই সন্ধ্যা পার হয়েছে। গরমটা বেশ পরেছে। বাতাস নেই একটুও। প্রকৃতি যেন স্তব্ধ হয়ে আছে। নামতে না নামতে অটো পেয়ে গেলাম। অল্প সময়ে খাইরুল ভাইয়ের বাড়িতেও পৌঁছে গেলাম।

পরে আলাপের সময় বলেছিলেন। একদিন তিনি সাঁইজির ধামে গিয়েছেন। তখন এখন যেখানে জাদুঘর ভবন দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে একটা কামরা ছিল। সেখানে বসে বাদের শাহ্ দুপুরের পর একা একা দৈন্য করছেন। তিনি কামরায় প্রবেশ করে দেখেন, দৈন্য করার আবেগে বাদের শাহ্ কাঁদতে কাঁদতে লীন হয়ে যাচ্ছে।

উঠানের মধ্যে শামিয়ানা টানিয়ে সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়েছে। অনেকদিন পরে আদিরূপের একটা সাধুসঙ্গ দেখতে পেলাম। এমন সাধুসঙ্গ আমার বেশ লাগে। এখানে নেই মঞ্চ। সেই আদিখ্যাতা। সাধুগুরুদের পাশেই হবে গানের আয়োজন। তবে অতিমারির কারণে অনেকটাই স্বল্প পরিসরে।

সাধুগুরুদের ভক্তিপর্ব সেরে বসতে না বসতেই মুড়ি সেবা চলে আসলো। সেবা নিয়ে চা পান করতে করতে। গানের পর্বও শুরু হয়ে গেলো। ফকির নহির সাঁইজির দৈন্য দিয়ে শুরু হলো সাঁইজির পদ। এই বয়সেও সুর-তালে টনটনে নহির ফকির।

প্রথম পদটির পর। বিনয়ের সাথে সকলের অনুমতি প্রার্থনা করে ধরলেন দ্বিতীয় পদখানা। দৈন্য গানের একটা ধারা আছে। তাতে নিজেকে পুরো নিবেদন করে গাইতে হয়। নইলে দৈন্যে দীনতা চলে আসে। সাঁইজি গাইতে লাগলেন।

পরে আলাপের সময় বলেছিলেন। একদিন তিনি সাঁইজির ধামে গিয়েছেন। তখন এখন যেখানে জাদুঘর ভবন দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে একটা কামরা ছিল। সেখানে বসে বাদের শাহ্ দুপুরের পর একা একা দৈন্য করছেন। তিনি কামরায় প্রবেশ করে দেখেন, দৈন্য করার আবেগে বাদের শাহ্ কাঁদতে কাঁদতে লীন হয়ে যাচ্ছে।

নহির সাঁইজি আরো বললেন, “দৈন্য তেমন কইরাই করতে হয় বাপ। দৈন্যের মধ্যে ডুবতে না পারলে তার ভাব প্রকাশ পায় না।”

সাধুসঙ্গের উপস্থাপনার দায়িত্বে আছেন মুসা করিম নামের এক সাধু। তিনি মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা করলেন। আমরা সকলেই তাতে মুগ্ধ। একের পর এক সাঁইজির সাধুগুরুরা পদ পরিবেশন করতে লাগলেন। অনেক অনেকদিন পর এমন উপস্থাপনা দেখলাম কোনো সাধুসঙ্গে।

আসলে সাধুসঙ্গগুলোর উপস্থাপক সাধুগুরুদের হওয়া উচিত। তাহলে যে ভক্তি-বিনয় থাকে উপস্থাপনে তাতে বিমোহিত হতেই হয়। শেখারও থাকে অনেক কিছু। মনে মনে ভেবে রাখলাম এই সাধুর সাথে কথা বলতে হবে। আশিকও বার বার বলছিল সেই কথা।

সাধুগুরুদের পর্ব শেষ হতেই উপস্থাপক পরিবর্তক হলো। শিল্পীদের গানের জন্য আসলো নতুন উপস্থাপক। সাথে সাথে সব ভালোলাগা নিম্নগামী হলো। সাধুগুরুরা কেনো যে এই বিষয়টায় গুরুত্ব দেন না। বুঝি না। শিল্পীরা যদি সাধুগুরুদের আখড়ায় গান গাইতে আসলে, সঠিক দিক-নির্দেশনা না পায়।

বা তাদের ভুলগুলো ধরিয়ে না দেয়া হয়; তাহলে তারা শিখবে কোথা থেকে? সকল শিল্পী হয়তো শিখতে চায় না। সকলে হয়তো শিখিয়ে দেয়া বা ভুল ধরিয়ে দেয়াকে সহজভাবে নিতেও পারে না। কিন্তু সাধুগুরুরা যদি নরম সুরে বুঝিয়ে বলা শুরু করে।

ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই গোষ্ঠ গান শুনলাম। তারপর বাল্যসেবা যখন চলে আসবার সময় হলো। তখন আর মটকা মেরে শুয়ে থাকা সম্ভব হলো না। অগত্যা উঠেই চমৎকার একটা সেবা নিলাম। বাল্য সেবাটা আসলেই মন ভালো করে দেয়। বালকসুলোভ ভাবনা মনে জাগ্রত করে। আহার আসলেই মানুষের মন মানুষিকতা নিয়ন্ত্রণ করে।

তাহলে আজ না হোক কাল বিষয়টা স্থান করে নিবেই। তখন শিল্পীরাও আগ্রহে থাকবে শুদ্ধ বাণী শিখে নেবার। আর প্রথিতযশা শিল্পীদের মাঝে যদি বিনয়ভাবে জাগ্রত করা যায়। তাহলে নবীনরাও এই পথে হাঁটতে শুরু করবে। সকলে হয়তো করবে না। কিন্তু যদি শুরু করা যায় তাহলে কিছু না কিছু হবেই।

আখেরে তো সাঁইজির বাণীই শুদ্ধ হবে। তাই না?

সাধুগুরুরা বিষয়টিকে নিয়ে সমালোচনা করে সত্য। কিন্তু বিষয়টিকে নিয়ে শুদ্ধতার দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো যথার্থ উদ্যোগ গ্রহণ করতে দেখি না। সেটাই আফসোসের বিষয়।

খাইরুল ভাইয়ের বাড়িটা রাস্তার পাশেই। টানা পিচ ঢালা রাস্তাটা মহিষকুন্ডি সদর পর্যন্ত চলে গেছে। সরু রাস্তা হলেও প্রচুর যান চলাচল করে। সন্ধ্যায় যে রাস্তাটাকে বেশ বিপদজনক মনে হচ্ছিল। চাঁদের আলোতে রাতের বেলা সেটাই অপূর্ব এক স্বর্গীয় পথ মনে হচ্ছে।

রাস্তা ধরে হাঁটছি আমি আর রানা। দূর থেকে মঞ্চের গান শোনা যাচ্ছে। যদিও করোনার জন্য মাইকের ব্যবহার করা হয়নি। তারপরও রাতের নিস্তব্ধতায় গানের সুর বহুদূর পর্যন্ত চলে আসছে। আসলে প্রচণ্ড খিদে পেয়েছে আমাদের দুইজনেরই।

সাধুসঙ্গের সেবা প্রস্তুত হতে হতে রাত দুইটা বাজবে। সেটাই হয় আসলে সাধুসঙ্গে। কিন্তু আমাদের লেগেছে খিদা। এমন একটা জায়গায় খাইরুল ভাইয়ের বাড়ি। আশেপাশে কোনো দোকানপাটও নেই। আর যা কিছু আছে তা এই গভীর রাতে সবই বন্ধ।

যদি খোলা পাওয়া যায় এই আশায় আশায় আমরা রাস্তা ধরে হাঁটছি; সাথে কত কি আলাপ করছি। দূরে একটা বাতি দেখা গেলেই আরো এগিয়ে যাই। যদি খোলা দোকান থাকে। যদিও আমরা ভালো করেই জানি। এতো রাতে দোকান খোলা থাকবার কথা না।

কিন্তু ঐ যে খিদে লাগলে যা হয় আর কি। আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো, আশিক এই খিদে পেট নিয়েই দিব্যি ঘুমিয়ে গেছে। বাড়িতে মুড়ি-চানাচুর চাইলে পাওয়া যাবে সত্য। কিন্তু সেসব খেতে ইচ্ছে করছিল না বলে দোকান খুঁজছিলাম। এতোটা পথ হেঁটে এখন মনে হচ্ছে মুড়ি খেলেই ভালো হতো হয়তো।

ফিরে এসে যখন মুড়ি-চানাচুর খেতে বসলাম। তখনই মঞ্চে ঘোষণা আসলো। সেবা প্রস্তুত, এখনি পরিবেশন করা হবে। আমাদের কপলটাই এমন। কি আর করা। মুড়ি খাবো না সেবা নেয়ার প্রস্তুতি নেবো বুঝে উঠা মুশকিল। গান শেষ হলো। যান্ত্রীরা যন্ত্র গুছিয়ে ফেললো। আমরাও সেবা নিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম।

ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই গোষ্ঠ গান শুনলাম। তারপর বাল্যসেবা যখন চলে আসবার সময় হলো। তখন আর মটকা মেরে শুয়ে থাকা সম্ভব হলো না। অগত্যা উঠেই চমৎকার একটা সেবা নিলাম। বাল্য সেবাটা আসলেই মন ভালো করে দেয়। বালকসুলোভ ভাবনা মনে জাগ্রত করে। আহার আসলেই মানুষের মন মানুষিকতা নিয়ন্ত্রণ করে।

আশিক এতো এতোবার কুষ্টিয়া আসলেও নহির সাঁইজির আখড়ায় তার যাওয়া হয়নি। তার খুব ইচ্ছে একটু ঘুরে আসবে হেমাশ্রমে। আর এবার আসার আগে বারবার বলে এসেছে। একটা সুযোগ বের করতেই হবে। নহির সাঁইজির আশ্রমে এইবার আমি যেতেই চাই।

বেলা যত বাড়তে লাগলো গরমটা ততই তাঁতিয়ে উঠলো। একেই বলে আসলে তাপপ্রবাহ। বাতাসও গরম। কোথাও বসে শান্তি পাচ্ছি না। এদিক-সেদিক বসে শুয়ে শেষে কোথাও শান্তি না পেয়ে। সাধুগুরুরা বাঁশঝাড়ের যে পাশটায় গল্প জমিয়েছিল সেখানে বসে তাদের কথা শুনতে লাগলাম।

কিন্তু সময়ের হিসেবে আমাদের আজ বিকেলের মধ্যে কুষ্টিয়া থাকবার কথা। সেখান থেকে রাতে রওনা দিবো যশোরে। তাই অনেক হিসেব কোষে আমরা ঠিক করেছি। এই বেলায় নহির সাঁইজির আখড়ায় যেয়ে একটু সময় কাটিয়ে চলে আসবো দুপুরের পুণ্যসেবার আগে।

সেই কথাটা নহির সাঁইজিকে বলতেই দেখি আমাদের নিয়ে একটা গভীর ষড়যন্ত্র আগেই হয়ে গেছে। সেই ষড়যন্ত্র করেছেন বুড়ি মা, নিধি আর সাথে স্বয়ং নহির সাঁইজি। আমাদের প্রস্তাব শোনার পর নহির সাঁইজি পান মুখে দিতে দিতে বললেন, তা বাবা এখন না যেয়ে পুণ্যসেবার পর সবাই একসাথে গেলে কেমন হয়?

আমি বললাম, ‘সাঁইজি আজ রাতে তো আমাদের যশোর যাওয়ার কথা। পুণ্যসেবার পর গেলে তো কুষ্টিয়া যেতে রাত হয়ে যাবে।

-তা আজ কুষ্টিয়া যাওয়ার দরকার কি? আমার ওখানে থাকা যাবে না?

-সাঁইজি! সুমনও আসবে আজকে। যশোরে নূরা পাগলার অনুষ্ঠানে যাওয়ার বহুদিনের ইচ্ছে। আজ থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। আমরা রাতে রওনা দিতে চাই।

-তা যশোরে যা হবে, তা হেমাশ্রমেই আজ করা যাবে ক্ষণ। সবাই চলো। সুমনকেও আসতে বলে দাও বাপ।

আসলে এই কথার পর আর কি বলা যায়। আরো কথার মারপ্যাঁচে নহির সাঁইজি শেষে ঠিকঠিকই আমাদের সম্মতি আদায় করে নিলেন। কি আর করা। বুড়ি মার শরীর কাঁপিয়ে হাসি দেখে বুঝে ফেললাম। বুড়ি মা আগে থেকেই নহির সাঁইজিকে পড়া দিয়ে রেখেছেন। আর উপায় নেই, যেতেই হবে।

বেলা যত বাড়তে লাগলো গরমটা ততই তাঁতিয়ে উঠলো। একেই বলে আসলে তাপপ্রবাহ। বাতাসও গরম। কোথাও বসে শান্তি পাচ্ছি না। এদিক-সেদিক বসে শুয়ে শেষে কোথাও শান্তি না পেয়ে। সাধুগুরুরা বাঁশঝাড়ের যে পাশটায় গল্প জমিয়েছিল সেখানে বসে তাদের কথা শুনতে লাগলাম।

(চলবে…)

<<সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-এক ।। সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইজির হেমাশ্রমে-তিন>>

………………………..
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব এক
ভবঘুরে খেরোখাতা: পর্ব দুই
মনোমোহনের পথে : প্রথম কিস্তি
মনোমোহনের পথে : দ্বিতীয় কিস্তি
মনোমোহনের পথে : তৃতীয় কিস্তি
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি এক
দয়াময় থেকে দয়ালের দরবারে : কিস্তি দুই
শাহান শাহ্’র দরবারে : পর্ব এক
শাহান শাহ্’র দরবারে – পর্ব দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : এক
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : দুই
লোকনাথ বাবার আশ্রম হয়ে মহারাজের আশ্রমে : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- এক
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি- দুই
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : তিন
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : চার
সীতাকুণ্ডের ঝড়ঝড়িতে গড়াগড়ি : পাঁচ
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- এক
নিরা গোঁসাইয়ের মতুয়া মহাসম্মেলন- দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- এক
সাঁইজির ধাম হয়ে পাককোলা- দুই
টকিমোল্লায় গানে আসর
ফর্সা হাজীতে আরেক দফা
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-এক
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-দুই
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-তিন
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাঁইজির হেমাশ্রমে-চার
সাঁইজির ধাম হয়ে নহির সাইঁজির হেমাশ্রমে-পাঁচ

প্রাসঙ্গিক লেখা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!